এসআইআর-এর কাজের চাপে বিএলও আত্মঘাতী হয়েছেন—মুর্শিদাবাদের ঘটনায় এমনই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস (BLO Death)। বিএলও-র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে মিছিলও করেছিলেন তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা। কিন্তু তদন্তে নেমে এবার ভিন্ন ছবি সামনে আনল পুলিশ।
সোমবার মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানার অন্তর্গত এলাকার বাসিন্দা তৃণমূল সমর্থক বুলেট খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে (BLO Death)। তাঁকে লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। শনিবার রাতে ভগবানগোলা ২ নম্বর ব্লকের আখরিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের আলাইপুর গ্রামে একটি স্কুলের ভিতর থেকে বিএলও হামিমুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বিএলও-র (BLO Death) কাছ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন বুলেট খান। দীর্ঘদিন ধরে সেই টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। এমনকী টাকা চাইলে তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ। পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে বুলেট খানের বিরুদ্ধে।
এই তথ্য সামনে আসার পর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এটাই তৃণমূলের আসল চরিত্র। মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং ভয় দেখানো হচ্ছে। অন্যদিকে বিএলও অধিকার মঞ্চের আহ্বায়ক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করা হচ্ছে। বিএলও-দের অধিকার রক্ষায় কমিটি আন্দোলন ও সংগ্রাম চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদের বিএলও মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআর বনাম ব্যক্তিগত চাপ—এই বিতর্কের মাঝেই তদন্ত এগিয়ে চলেছে।












