Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও নরখাদকের আতঙ্ক! কোচবিহারে খুনের পর দেহ পরিষ্কার করে খাওয়ার চেষ্টা
জেলা

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও নরখাদকের আতঙ্ক! কোচবিহারে খুনের পর দেহ পরিষ্কার করে খাওয়ার চেষ্টা

man eater a
Email :4

বাংলায় নরখাদক—শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও কোচবিহারের দিনহাটায় এমনই এক বিরল ও ভয়াবহ ঘটনার সাক্ষী হলেন স্থানীয় বাসিন্দারা (Coochbehar)। এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে খুন করার পর তাঁর দেহ বাড়িতে এনে মাংস খাওয়ার পরিকল্পনা ছিল অভিযুক্তের। সাংবাদিক বৈঠক করে এই তথ্য জানিয়েছেন দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধিমান মিত্র (Coochbehar)।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১০ জানুয়ারি দিনহাটার সীমান্তবর্তী এলাকা কুড়শা হাটের একটি প্রত্যন্ত শ্মশান থেকে এক মানসিক ভারসাম্যহীন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় (Coochbehar)। দেহের গলা ও কাঁধে একাধিক গভীর ক্ষতচিহ্ন ছিল। এরপরই খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে ফিরদৌস আলম নামে এক যুবককে। জেরায় ধীরে ধীরে সামনে আসে ভয়ংকর সব তথ্য। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের পর অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির দেহ নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে দেহ পরিষ্কার করা হয়। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তের উদ্দেশ্য ছিল মৃতদেহের মাংস খাওয়া। যেহেতু নিহত ব্যক্তি শ্মশানে থাকতেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন, তাই সহজ লক্ষ্য হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

ঘটনার পর থেকেই গোটা দিনহাটা এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্তকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শুধুমাত্র খুন নয়, খুনের উদ্দেশ্য ও পরবর্তী পরিকল্পনার কারণেই ঘটনাটি বিরলতম বলে বিবেচিত হচ্ছে।

দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধিমান মিত্র জানান, একটি মাজারে মিলনমেলা চলাকালীন মৃতদেহ উদ্ধারের খবর আসে। পুলিশ গিয়ে দেখে গলা ও ঘাড়ে একাধিক কামড়ের চিহ্ন রয়েছে। এলাকায় কোনও সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। প্রথমে খুনের কারণ স্পষ্ট ছিল না। পরে নির্ভরযোগ্য সূত্রে অভিযুক্তের নাম জানা যায় এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জেরায় অভিযুক্ত স্বীকার করেছে, কোনও ব্যক্তিগত শত্রুতা বা কারণ ছাড়াই সে খুন করেছে। পরে জানা যায়, খুনের পর দেহ বাড়িতে এনে কলতলায় পরিষ্কার করা হয় এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতদেহ খাওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছিল। পুলিশ আধিকারিকের কথায়, এটি সত্যিই অত্যন্ত বিরল ও নৃশংস ঘটনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts