সল্টলেক সেক্টর ফাইভে বেসরকারি ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিসে বৃহস্পতিবার সকালে তল্লাশি শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid)। সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা সেখানে নথি খতিয়ে দেখতে থাকেন। এর মধ্যেই ভোর পাঁচটা নাগাদ ইডির আর একটি দল পৌঁছে যায় আইপ্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে (ED Raid)।
প্রতীক জৈন থাকেন ৭ নম্বর লাউডন স্ট্রিটের একটি আবাসনে (ED Raid)। সূত্রের খবর, দিল্লিতে একটি আর্থিক প্রতারণা মামলায় আইপ্যাকের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সকাল থেকে টানা পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানা গিয়েছে।
এই তল্লাশির খবর (ED Raid) ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযানে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা গিয়েছে। রাজীব কুমার মামলার সময় মুখ্যমন্ত্রীকে ধরনায় বসতে দেখা গেলেও, ভোট কুশলীর বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন তাঁর সরাসরি হাজিরা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন শেক্সপিয়র থানার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছুটা বচসা হয় বলে জানা যায়। তদন্ত চলাকালীন পুলিশকে আবাসনের প্রধান গেটের বাইরে থাকতে বলা হয়। পরে ইডির আধিকারিকরা থার্ড ফ্লোর থেকে নীচে নেমে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। কিছুক্ষণ পর ডিসি সাউথ প্রিয়ব্রত রায় ঘটনাস্থলে এসে সোজা আবাসনের উপরে উঠে যান।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার এই অভিযানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর।













