Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • মোদি-শেহবাজ এক ফোনে ঠান্ডা করলেন ট্রাম্প! যুদ্ধ থামল ট্রাম্পের হুমকিতে?
বিদেশ

মোদি-শেহবাজ এক ফোনে ঠান্ডা করলেন ট্রাম্প! যুদ্ধ থামল ট্রাম্পের হুমকিতে?

trump and modi
Email :114

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেছেন যে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থার উত্তেজনা প্রশমিত করেছেন। ট্রাম্প বলেন (Donald Trump) , একের পর এক ফোনকল এবং বাণিজ্যিক চাপ প্রয়োগ করে তিনি দুই দেশের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সফল হয়েছেন।

ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল—ভারত ও পাকিস্তান। আমি সেটা বন্ধ করেছি কয়েকটি ফোন কল আর বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে। আমি বলেছিলাম, যদি তোমরা একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাও, তাহলে কোনও বাণিজ্য চুক্তি হচ্ছে না।”

তিনি (Donald Trump) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন এবং বলেন, “তিনি আমার একজন দারুণ বন্ধু, একজন মহান মানুষ এবং একজন অসাধারণ ভদ্রলোক।”

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, “আমি ওদের বুঝিয়েছি। বলেছি, তোমরা যদি যুদ্ধ করো তাহলে আমরা কোনও চুক্তি করছি না। ওরা বলল, না, আমরা বাণিজ্য চুক্তি চাই। আমরাই পারমাণবিক যুদ্ধ থামিয়েছি।”

তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের এই দাবিকে পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, ২২ এপ্রিল পাহালগাম জঙ্গি হামলার পর শুরু হওয়া অপারেশন ‘সিন্দুর’-এর পর পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণভাবে ভারতের নিজস্ব সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়েছে। কোনও তৃতীয় পক্ষ বা ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতা এতে ছিল না।

ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) আরও দাবি করেন, তিনি শুধু ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কই নয়, বরং সম্প্রতি কসোভো-সার্বিয়া এবং কঙ্গো-রুয়ান্ডা সংঘাতের মতো আরও একাধিক আন্তর্জাতিক সঙ্কটও মিটিয়ে দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, “গত কয়েক সপ্তাহে আমরা ভারত-পাকিস্তান, কসোভো-সার্বিয়া, কঙ্গো-রুয়ান্ডা সব সমস্যার সমাধান করেছি। আরও দুটো বড় কূটনৈতিক সাফল্য এসেছে। এরকম আগে কেউ করেনি।”

এই মন্তব্যের এক সপ্তাহ আগেই ট্রাম্প পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনীরকে হোয়াইট হাউসে মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পরে ট্রাম্প তাকে ধন্যবাদ জানান “ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ না করে উত্তেজনা প্রশমিত করার জন্য”।

তিনি বলেন, “আমি তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম কারণ আমি তাকে ধন্যবাদ দিতে চেয়েছিলাম যুদ্ধ এড়িয়ে যাওয়ার জন্য।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts