নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ষষ্ঠ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করেছে (Voter List)। এই তালিকা একসঙ্গে দুই ধাপে প্রকাশ করা হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই নতুন তালিকায় প্রায় তিন লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে। তবে কতজনের নাম বাদ পড়েছে, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি (Voter List)। এর আগে কমিশন জানিয়েছিল, প্রতিদিন একটি করে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছিল।
এর আগে রবিবার পর্যন্ত চারটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু সোমবার একসঙ্গে দুটি তালিকা প্রকাশ করা হয়, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Voter List)।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Voter List)। সেই তালিকা তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছিল— বৈধ, বিবেচনাধীন এবং বাদ দেওয়া। তখন প্রায় ৬১ লক্ষ নাম বাদ পড়ে এবং প্রায় ৬০ লক্ষ নাম বিবেচনার জন্য রাখা হয়। এই নামগুলির যাচাই প্রক্রিয়া এখনও চলছে এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ হয় (Voter List)। এরপর ধাপে ধাপে আরও তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবারের তালিকা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ছয়টি তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। এই ছয়টি তালিকায় মোট ২৯ লক্ষের বেশি নাম রয়েছে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪২ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এখনও প্রায় ১৮ লক্ষ নামের সিদ্ধান্ত বাকি রয়েছে। এছাড়াও সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় প্রায় ১৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে বলে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে খসড়া তালিকা থেকে এখন পর্যন্ত ৮১ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ পড়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে এই সংখ্যাটি কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। সমস্ত প্রক্রিয়া শেষ হলে তবেই মোট বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা স্পষ্ট হবে।
ভোটের আগে এই বড়সড় পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ছে। কীভাবে এবং কেন এত নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।











