চতুর্থবার রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে এখন থেকেই প্রার্থী বাছাইয়ের অঙ্ক কষতে শুরু করেছে TMC। পুরনো বিধায়কদের অনেকেই কি আবার টিকিট পাবেন, নাকি নতুন মুখের উপর ভরসা করবে দল—তা নিয়েই জোর জল্পনা চলছে। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী বদল, কেন্দ্র পরিবর্তন এবং পারিবারিক উত্তরাধিকার—সব মিলিয়ে চমক থাকতে পারে প্রার্থী তালিকায় (TMC)।
বেহালা পূর্ব কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা সবচেয়ে বেশি। একুশের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায় (TMC)। তাঁর স্বামী শোভন চট্টোপাধ্যায় দলে ফিরে আসার পর নতুন করে জল্পনা শুরু হলেও দলীয় সূত্রের ইঙ্গিত, বেহালা পূর্বে আবারও রত্নার উপর ভরসা রাখতে পারে দল (TMC)। রত্নার বাবা দুলাল দাস মহেশতলার বিধায়ক এবং তিনি নাকি আর ভোটে লড়তে আগ্রহী নন। ফলে রত্নাকে মহেশতলায় প্রার্থী করা হতে পারে কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এলাকায় তাঁর সক্রিয়তার কারণে কেন্দ্র বদলের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন অনেকে।
বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে (TMC)। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-এর আসনে শোভনকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা থাকলেও দলীয় অন্দরে শোনা যাচ্ছে, বিনোদন জগতের কোনও পরিচিত মুখকে সেখানে টিকিট দেওয়া হতে পারে। শোভনকে উত্তর কলকাতার কোনও আসনে লড়ানো নিয়েও ভাবনা চলছে।
এন্টালি কেন্দ্রে দীর্ঘদিনের বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহা এবার নির্বাচনে না-ও দাঁড়াতে পারেন বলে খবর। সেক্ষেত্রে তাঁর পুত্র সন্দীপন সাহার নাম সামনে আসছে। মানিকতলা কেন্দ্রে প্রয়াত সাধন পাণ্ডে-র জায়গায় উপনির্বাচনে জয়ী হওয়া সুপ্তি পাণ্ডে-কেই আবার প্রার্থী করা হতে পারে। অন্যদিকে জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত-র টিকিট অনিশ্চিত বলে দলীয় সূত্রে খবর এবং সেখানে প্রাক্তন এক বিধায়কের পরিবারের সদস্যের নাম ঘুরছে।
খড়দহের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-কে দক্ষিণ কলকাতার কোনও কেন্দ্রে সরানো হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে (TMC)। ফলে খড়দহে নতুন মুখের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। একই সঙ্গে মদন মিত্র-র প্রার্থিতা নিয়েও আলোচনা চলছে। তিনি বর্তমান কেন্দ্রেই লড়বেন নাকি অন্যত্র প্রার্থী হবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
সব মিলিয়ে প্রার্থী তালিকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তার আগে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী আসনগুলোতে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে জল্পনা ক্রমেই বাড়ছে।













