হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সভা থেকে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াল রাজ্যে (Suvendu Adhikari)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতেই ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বড় দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানালেন, নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তিনি জিতবেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই হারাবেন। এর জন্য তিনি মোদীর আশীর্বাদও চান বলে জানিয়েছেন (Suvendu Adhikari)।
শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কথায়, নন্দীগ্রামে জেতা তাঁর জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই ভবানীপুরেও জয়ের লক্ষ্য নিয়েই তিনি এগোচ্ছেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব পেলে তিনি তা সফলভাবে পালন করবেন এবং ভবানীপুরেও জয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটাবেন।
প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ছিল সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সরাসরি লড়াই হয়েছিল। এবার সেই উত্তেজনা অনেকটাই ঘিরে রয়েছে ভবানীপুরকে কেন্দ্র করে। নন্দীগ্রামের অভিজ্ঞতা থেকেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুভেন্দু ভবানীপুরে লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন। একটি জনসভায় তিনি দাবি করেছেন, নন্দীগ্রামের মতোই ভবানীপুরেও মুখ্যমন্ত্রীকে পরাজিত করা সম্ভব।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে ভবানীপুরে প্রায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতি বিজেপির পক্ষে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই কেন্দ্রে অ-বাঙালি ভোটার এবং ব্যবসায়ী মহলের সমস্যাগুলিকে সামনে এনে প্রচার চালাচ্ছেন।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিকে বহিরাগত দল বলে আক্রমণ করলেও শুভেন্দুর দাবি, ভবানীপুরের মানুষ এবার আবেগ নয়, উন্নয়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন।
ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তাই এই কেন্দ্র তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এটি সম্মানের লড়াই। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরের এই লড়াই আগামী নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাকি কেন্দ্রগুলিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে (Suvendu Adhikari)।
তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। দলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, শুধু কথায় কিছু হয় না। আগেও বিজেপি বড় বড় দাবি করেছিল, কিন্তু ফলাফল অন্য কথা বলেছে।












