ভোটের মুখে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্য রাজনীতি। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) গুরুতর অভিযোগ, তাঁর এবং দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে। এই অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে হাজির হন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও।
সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, রাজ্যের একাধিক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এই নজরদারির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর কথায়, বিশেষ টাস্ক ফোর্স, গোয়েন্দা সংস্থা এবং নিরাপত্তা দফতরের কিছু কর্তারা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের নেতাদের ফোনের অবস্থান নজরে রাখছেন। এই বিষয়ে তাঁদের কাছে প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ।
তিনি (Suvendu Adhikari) আরও অভিযোগ করেন, কমিশনের নির্দেশ অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না। ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষের অসুবিধা করে মুখ্যমন্ত্রী ও শাসকদলের নেতাদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে জঙ্গিপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারদের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর দু’টি বক্তব্যের ভিডিও জমা দেওয়া হয়েছে কমিশনে। একটিতে নাকি নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের প্রতিবাদে নামার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যটিতে বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে নিজেদের অস্বীকার করার কথা বলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই ধরনের বক্তব্যে বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির তরফে দাবি উঠেছে, অতীতে অন্য নেতাদের ক্ষেত্রে যেভাবে নির্বাচন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, একই নিয়ম মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।
মেটা বিবরণ: ভোটের আগে বড় অভিযোগ বিজেপির, শুভেন্দু অধিকারীর দাবি তাঁর ও শমীক ভট্টাচার্যের ফোন ট্র্যাক করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে নালিশ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও উঠল গুরুতর অভিযোগ।













