নাগরিকত্ব নিয়ে ন্যূনতম সন্দেহ থাকলে ভোটার তালিকায় নাম রাখা হবে না। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এই কথা জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করেন তাদের আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে শুনানির সময় কমিশনের আইনজীবী জানান, নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে যদি কোনও ইআরও কোনও ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকায় না রাখেন (Supreme Court) , তার মানে এই নয় যে ওই ব্যক্তি ভারতীয় নাগরিক নন। নাগরিকত্ব নির্ধারণের চূড়ান্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতেই রয়েছে।
শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী প্রশ্ন তোলেন, কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করা পর্যন্ত কি সেই ব্যক্তির ভোটাধিকার থাকবে না (Supreme Court) ? উত্তরে কমিশনের আইনজীবী বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল যারা নাগরিক নন, তাদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। তবে কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া বা কাউকে দেশছাড়া করার কোনও অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই।
এই মামলার শুনানি আগামী ১৫ জানুয়ারি ফের প্রধান বিচারপতির আদালতে হবে (Supreme Court) । তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল।
আদালতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর সংক্রান্ত নির্দেশ নির্বাচন কমিশন সামাজিক মাধ্যমে দিচ্ছে। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুথ লেভেল অফিসারদের কাজের নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ভোটাররা নথি জমা দিলেও তার কোনও রসিদ বা প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে না।
এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি তথ্যগত অসঙ্গতির বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন। এবার সেই অভিযোগই সুপ্রিম কোর্টে জোরালোভাবে উঠে এল।










