ভোটের আগে বড় একটি প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিরা যদি ট্রাইবুনালে নিজেদের মামলা জিতে যান, তবে কি তাঁরা এবার বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন? শুক্রবারও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাল না সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আগামী ১৩ এপ্রিল শুনানিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিন শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, ট্রাইবুনালে যাঁদের মামলার নিষ্পত্তি হবে, তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে। ফলে এখনই কোনও নিশ্চয়তা পাচ্ছেন না আবেদনকারীরা (Voter List)।
শুনানির সময় আবেদনকারীদের আইনজীবী আদালতে বলেন, এখনও অনেক আবেদন বাকি রয়েছে। অথচ নির্বাচন কমিশন ৯ এপ্রিল ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে দিয়েছে। এখন পর্যন্ত খুব কম সংখ্যক আবেদন মঞ্জুর হয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় যে যথাযথভাবে সব আবেদন খতিয়ে দেখা হয়নি (Voter List)।
এ সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার বিষয়টি নিয়েও ১৩ এপ্রিল বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করা হবে। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, ৯ এপ্রিলই তালিকা চূড়ান্ত করার শেষ দিন ছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরে আর এই বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করা সম্ভব নয়। তবে ভোটাধিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, একটি নির্বাচনের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। কিন্তু ভোটার তালিকায় নাম থাকা এবং ভবিষ্যতে ভোট দেওয়ার অধিকার একটি বড় সাংবিধানিক অধিকার। এই বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও বলেন, এই পরিস্থিতিতে কেউ স্থায়ীভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন না। তবে তা সত্ত্বেও এই মুহূর্তে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি (Voter List)।
আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যাঁরা আবেদন করেছেন তাঁদের অনেকের কাছেই পাসপোর্টের মতো নথি রয়েছে। তবুও তাঁদের নাম তালিকায় নেই। তবে আদালত স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, এখনই কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ প্রতিদিনই নতুন করে মামলা জমা পড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে এখন সবার নজর ১৩ এপ্রিলের দিকে। ওইদিনই সুপ্রিম কোর্ট জানাবে, ট্রাইবুনালে মামলা জেতা ভোটাররা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না।











