আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Case) হাসপাতালে লিফট দুর্ঘটনায় অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে ঘিরে তদন্তে নেমেছে রাজ্য ফরেন্সিক দল এবং লালবাজারের হোমিসাইড শাখা। ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই সংস্থা একসঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে। বিশেষ করে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া সময়ের ফাঁক এখন তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।
ঘটনার পর ট্রমা কেয়ার সেন্টারে পৌঁছে ফরেন্সিক দলের সদস্যরা জায়গাটি খুঁটিয়ে দেখেন। পাশাপাশি হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরাও তদন্তে যোগ দেন। লিফট কীভাবে কাজ করছিল, কোথায় ত্রুটি হয়েছিল এবং উদ্ধার করতে কত সময় লেগেছে—এই সব বিষয় বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে (RG Kar Case)।
শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ডিউটিতে থাকা সব কর্মীর ভূমিকা পরীক্ষা করা হচ্ছে। ওই সময়ে দায়িত্বে থাকা জুনিয়র ডাক্তার, নার্স, গ্রুপ ডি কর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কে কোথায় ছিলেন এবং কী দায়িত্বে ছিলেন, তা মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বোঝার চেষ্টা চলছে ঠিক কোন সময় কী ঘটেছিল এবং কোথায় অসঙ্গতি রয়েছে (RG Kar Case)।
তদন্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বড় প্রশ্নের মুখে। নিয়ম অনুযায়ী, লিফটে সমস্যা হলে যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় নম্বর প্রতিটি তলায় থাকার কথা। সেই নিয়ম ঠিকভাবে মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে (RG Kar Case)।
সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে বেসমেন্ট ঘিরে। যেখানে লিফটটি আটকে যায়, সেই জায়গার গেটে তালা ছিল। সেই চাবি কার কাছে ছিল এবং জরুরি অবস্থায় কেন তা দ্রুত পাওয়া গেল না, তা এখন তদন্তের মূল বিষয় হয়ে উঠেছে।
জানা গিয়েছে, বেসমেন্টে অত্যন্ত দামী চিকিৎসা যন্ত্র থাকায় নিরাপত্তার জন্যই তালা লাগানো ছিল। কিন্তু বিপদের সময় সেই তালা খুলতে দেরি কেন হল, তা নিয়েই উঠছে একের পর এক প্রশ্ন।










