রাজ্যসভার চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার সেই তালিকা প্রকাশ হতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। একাধিক পরিচিত নামের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে রাজীব কুমার-কে (Rajiv Kumar) ঘিরে। দায়িত্বে থাকাকালীন যাঁর নাম বারবার বিতর্কে জড়িয়েছে, তিনিই এবার সরাসরি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি হতে চলেছেন।
কলকাতা পুলিশের কমিশনার থাকাকালীন সময় থেকেই শিরোনামে ছিলেন রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। সারদা চিটফান্ড মামলাতেও তাঁর নাম উঠে আসে। সেই সময় কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসেছিলেন। অবসরের আগে তিনি রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে ছিলেন।
তাঁকে প্রার্থী করা নিয়ে বিরোধীরা তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের দাবি, সারদা কাণ্ডে তাঁর (Rajiv Kumar) ভূমিকাকেই পুরস্কৃত করা হয়েছে। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই মনোনয়ন আসলে পুরস্কার। তাঁর আরও অভিযোগ, মুখ বন্ধ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।
এই বিতর্কের জবাব দিয়েছেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বক্তব্য, দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর যে কোনও প্রাক্তন আমলা (Rajiv Kumar)রাজনীতিতে যোগ দিতে পারেন। অতীতে বহু অফিসার বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, রাজীব কুমারকে টার্গেট করা উচিত নয়। পাশাপাশি ইস্তফা দিয়ে রাজনীতিতে আসা বিচারপতিদের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সব মিলিয়ে রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে রাজীব কুমারের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। এই সিদ্ধান্তে কী বার্তা দিতে চাইল শাসক দল, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে।













