Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক ঝড়! তৃণমূলের নিন্দায় সরব বিরোধী শিবিরগুলো
রাজ্য

রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক ঝড়! তৃণমূলের নিন্দায় সরব বিরোধী শিবিরগুলো

draupadi murmu a
Email :3

রাষ্ট্রপতির শিলিগুড়ি সফরকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দল ও বিরোধী দলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পালা শুরু হয়েছে (Bengal Politics)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে একসঙ্গে নিশানা করেছেন। অন্যদিকে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও রাজ্য সরকারকে আদিবাসী বিরোধী বলে আক্রমণ করেছেন। পাল্টা বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা (Bengal Politics)।

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতিকে ব্যবহার করেও রাজনীতি করার চেষ্টা হচ্ছে। তাঁর মতে, বাংলার নির্বাচনের আগে দেশের প্রথম নাগরিকের উত্তরবঙ্গ সফরকে ঘিরে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে (Bengal Politics)।

শিলিগুড়ি সফরের সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই মন্তব্য সামনে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বাড়ে। মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে প্রতিক্রিয়া জানান। এর পরেই বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের অসম্মান করার অভিযোগ তোলা হয় (Bengal Politics)।

রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে উঠে আসে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, কখনও কখনও তাঁর মনে হয় কেউ যেন সাঁওতালদের এগিয়ে যেতে দিতে চায় না। কেউ যেন চায় না তারা একজোট হোক, শিক্ষিত হোক বা শক্তিশালী হয়ে উঠুক।

এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও জোরদার করেছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে আদিবাসী বিরোধী বলে অভিযোগ করেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন—দুটো পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যাবে কার বক্তব্য সংবিধানের মধ্যে এবং কার বক্তব্য সংবিধানের বাইরে।

অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও এই ঘটনাকে ঘিরে নিজেদের মত প্রকাশ করেছে। বামফ্রন্টের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, সংবিধানিক পদে যারা থাকেন তাদের ছোটখাটো বিষয় নিয়ে এইভাবে প্রকাশ্যে বিতর্কে জড়ানো উচিত নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদকে সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে সেই পদগুলির মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও এই প্রসঙ্গে বিজেপির সমালোচনা করেছেন। তাঁর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে আদিবাসীদের অবস্থা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না। কিন্তু বাংলার ক্ষেত্রে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগ করা হচ্ছে। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতিকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে এবং সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। নির্বাচনের আগে এই ইস্যু যে বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হতে পারে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts