মাতৃভাষা দিবসেই বড় রাজনৈতিক মোড়। সিপিএম থেকে বহিষ্কৃত হলেন তরুণ নেতা প্রতীক-উর রহমান (Pratik Ur Rahman)। একই সময়ে আমতলার সভামঞ্চে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়–এর পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের পতাকা হাতে নেন তিনি। ফলে জল্পনা সত্যি হয়ে লাল শিবির ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। দলবিরোধী মন্তব্য এবং নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের পর থেকেই তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে জোর গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। অবশেষে সেই জল্পনারই পরিণতি দেখা গেল (Pratik Ur Rahman)।
গত কয়েক দিন ধরে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র জুড়ে প্রতীক-উরের (Pratik Ur Rahman) দলবদলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। লোকসভা নির্বাচনে এই ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। শনিবার আমতলার মঞ্চে অভিষেকের হাত থেকেই তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন প্রতীক-উর। এর মাঝেই সিপিএম পার্টি অফিস থেকে তাঁর বহিষ্কারের ঘোষণা আসে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রেজ্জাক ও ঋতব্রতদের পথেই হাঁটলেন প্রতীক-উর, যা বাম শিবিরে নতুন অস্বস্তি তৈরি করেছে।
দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গত কয়েক দিনে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছিলেন প্রতীক-উর (Pratik Ur Rahman)। প্রথম দিকে দলের তরফে প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া না মিললেও পরে রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম মুখ খোলেন। তিনি জানান, প্রতীক-উরকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়েছে বলেই তাঁর ধারণা। তবে শত্রুপক্ষে যোগ দেওয়ার কারণেই তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে স্পষ্ট করেন সেলিম। একই সঙ্গে প্রতীক-উরের দলত্যাগ তাঁর কাছে সন্তান হারানোর বেদনার মতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরে প্রতীক-উরের যোগদান ভোটের আগে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।










