বাংলায় কি চোখ রাঙাচ্ছে নিপা ভাইরাস (Nipah Virus)? ইতিমধ্যেই দু’জনের নিপা আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। তাঁরা দু’জনেই এখন হাসপাতালে ভর্তি। এর মধ্যেই উদ্বেগ আরও বাড়াল পূর্ব বর্ধমানের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রমের বক্তব্য। তাঁর কথায়, নিপা আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বুধবার পর্যন্ত এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ জনে (Nipah Virus)।
জয়রাম হেমব্রম জানান, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪৮ জনের কন্টাক্ট ট্রেসিং (Nipah Virus) করে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। বুধবার সেই তালিকায় আরও নাম যোগ হয়েছে। এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জনকে সংস্পর্শে আসা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জনের শরীরে হালকা উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। তাঁদের একজন হাউস স্টাফ। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। বর্তমানে তিনি বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য আধিকারিক (Nipah Virus)।
আরও এক নার্সিং স্টাফের শরীরে সামান্য উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। তাঁর অবস্থাও এখন ভালো। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করার সময় এই স্বাস্থ্যকর্মীরা খুব কাছ থেকে পরিষেবা দেওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়েন।
গত সোমবার থেকেই রাজ্যে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। এখনও পর্যন্ত দু’জনের নিপা আক্রান্ত হওয়া নিশ্চিত হয়েছে। আরও দু’জনকে নিপা সন্দেহে নজরে রাখা হয়েছে। প্রথম খবর প্রকাশ্যে আসার দিনই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের তরফে একটি বিশেষজ্ঞ দল রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।
এর মধ্যেই নিপা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাজ্যের উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য নেওয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পালটা কটাক্ষ করেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, সুকান্ত মজুমদারের রাজ্য সরকারকে শেখানোর প্রয়োজন নেই। করোনা পরিস্থিতির সময় মোদী সরকারের ব্যর্থতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।












