Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • উনিশ বছর পরও ভোলা যায়নি সেই রক্তাক্ত দিন! নন্দীগ্রাম দিবসে আবেগঘন বার্তা মমতার
রাজ্য

উনিশ বছর পরও ভোলা যায়নি সেই রক্তাক্ত দিন! নন্দীগ্রাম দিবসে আবেগঘন বার্তা মমতার

mamata in supreme court
Email :2

আজ নন্দীগ্রাম দিবস। প্রায় উনিশ বছর আগে এই দিনেই রক্তে ভেসে গিয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। সেই ঘটনা শুধু একটি আন্দোলনের ইতিহাস নয়, বাংলার রাজনীতির গতিপথও বদলে দিয়েছিল। সেই দিনটির স্মরণে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

নিজের বার্তায় তিনি (Mamata Banerjee) নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাইয়ের শহিদদের স্মরণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, নন্দীগ্রাম দিবসে নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর ও নেতাই সহ সমগ্র বিশ্বের সকল শহিদের প্রতি তিনি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তরের গভীর প্রণতি জানাচ্ছেন।

২০০৭ সালের সেই ঘটনার পর তৎকালীন বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আন্দোলন দ্রুত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। সেই আন্দোলন সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলে রাজনৈতিক মহলের অনেকেরই মত।

২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। সরকারে আসার পর থেকেই নন্দীগ্রাম দিবস পালনকে আরও গুরুত্ব দিতে শুরু করে তৃণমূল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এ বছরও এই দিনে শহিদদের স্মরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে রাজ্যের দরজায় আবার কড়া নাড়ছে আরেকটি বিধানসভা নির্বাচন। গত প্রায় দুই দশকে রাজ্যের রাজনৈতিক ছবিও অনেকটাই বদলে গেছে। সেই সময়ের বিরোধী দল তৃণমূল এখন রাজ্যের ক্ষমতায়। অন্যদিকে তৎকালীন শাসকদল সিপিএম এখন রাজ্যের রাজনীতিতে প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বিধানসভায় তাদের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই।

অন্যদিকে সেই সময় রাজ্যের রাজনীতিতে খুব একটা গুরুত্ব না পাওয়া বিজেপি এখন প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক সমীকরণেও বড় পরিবর্তন ঘটেছে। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শুভেন্দু অধিকারী এখন বিজেপির হয়ে বিরোধী দলনেতার দায়িত্বে রয়েছেন।

দুই হাজার একুশ সালে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর নন্দীগ্রাম দিবসের অনুষ্ঠানও আলাদা ভাবে পালিত হতে শুরু করে। ফলে এই দিনটিকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনও তৈরি হয়েছে।

নন্দীগ্রাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। দুই হাজার সাত সালের সেই মর্মান্তিক ঘটনার কথা তিনি আজও ভুলতে পারেননি। সেই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে একাধিকবার তিনি একে রাষ্ট্রের সন্ত্রাস বলেও উল্লেখ করেছেন।

দুই হাজার সাত সালের চৌদ্দই মার্চ নন্দীগ্রামে জমি রক্ষা আন্দোলনের সময় পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযোগ, সেই দিন পুলিশের গুলিতে চৌদ্দজন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর গোটা রাজ্যে তীব্র রাজনৈতিক আলোড়ন তৈরি হয়েছিল।

সেই রক্তাক্ত ঘটনার স্মৃতিতেই প্রতি বছর চৌদ্দই মার্চ রাজ্যজুড়ে নন্দীগ্রাম দিবস পালন করা হয়। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন ও সাধারণ মানুষ এই দিনে শহিদদের স্মরণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts