সাগরদিঘির জনসভা থেকে ফের বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কালিয়াচকের ঘটনাকে তিনি বিজেপির পরিকল্পিত পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন (Mamata Banerjee)। তাঁর কথায়, এই ঘটনার মাধ্যমে বাংলার নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যে মন্তব্য করেছে তা একেবারেই সঠিক এবং এই ধরনের ঘটনা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জানান, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব তাঁর হাতে নেই এবং সবকিছুই নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং তাঁকে কোনও তথ্য জানানো হচ্ছে না। মালদহের ঘটনার খবরও তিনি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি (Mamata Banerjee) অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
তিনি (Mamata Banerjee)আরও বলেন, মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি অশান্তি তৈরি করছে। তাঁর অভিযোগ, কিছু লোককে টাকা দিয়ে উত্তেজনা ছড়ানো হয়েছে, রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে এবং বিচারকদের ঘেরাও করা হয়েছে। এর ফলেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন, এর পিছনে বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।
জনগণের উদ্দেশে তিনি শান্ত থাকার বার্তা দেন। তাঁর আবেদন, কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। তিনি স্পষ্ট বলেন, উত্তেজনা বা হিংসার পথ কোনও সমাধান নয়। সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে লড়াই চালানোর পরামর্শ দেন তিনি।
একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় বাইরের শক্তির ভূমিকার অভিযোগও তোলেন। তাঁর দাবি, বাইরে থেকে এসে কিছু লোক ভোট ভাগ করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বাংলাকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দেন, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি পাশে আছেন এবং কাউকে অন্যায়ভাবে আটক হতে দেবেন না।
এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কালিয়াচক নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।













