নির্বাচন ঘোষণার পর রাজ্যের প্রশাসন ঝাঁকুনি খেল। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) এবার ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করেছে। কমিশনের (Election Commission) সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, বদলি হওয়া অফিসাররা বুধবারের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেবেন। সোমবারই কমিশন এ বিষয়ে বিবৃতি জারি করেছে। ১৯ ও ২৩ মার্চ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ইমেলের প্রেক্ষিতে এই বদলির নির্দেশ এসেছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে তালিকাভুক্ত সকল অফিসারকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টা থেকে তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। কমিশন এই বিষয়ে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে (Election Commission)।
রাজ্যে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য ২৯৪ জন রিটার্নিং অফিসার থাকা উচিত। তবে ৭৩ জনকে বদলি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই মহকুমাশাসক (Election Commission)। বিশেষভাবে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকেও সরানো হয়েছে। সর্বোচ্চ উত্তর ২৪ পরগনা, এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বদল হয়েছে। তমলুকে এসডিও হয়েছেন সৌভিক মুখোপাধ্যায়, বিধাননগরে প্রিয়াংশা গর্গ, মুর্শিদাবাদে পূজা মীনা, তুফানগঞ্জে শান্তনু কর্মকার। ভবানীপুরে ল্যান্ড অ্যান্ড রেকর্ডসের অতিরিক্ত ডিরেক্টর সুরজিত রায়ের নাম রয়েছে (Election Commission)।
এর আগে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরানো হয়েছিল। রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনাকে তামিলনাড়ুর পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনেও একাধিক বদল হয়েছে। পুলিশ কমিশনার, রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজি থেকে একাধিক জেলাশাসক ও ডিআইজি অপসারিত হয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি লিখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।












