সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে গুলি ও বোমাবাজির ঘটনায় নাম জড়ানোর পর থেকেই তিনি বেপাত্তা। তার মধ্যেই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই তদন্তেই এবার নতুন মোড় এল (ED summons)।
এই মামলায় আইপিএস অফিসার গৌরব লালকে তলব করেছে তদন্তকারী সংস্থা (ED summons)। তিনি আগে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ছিলেন, বর্তমানে হাওড়া সিটি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার পদে কর্মরত। আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
শুধু গৌরব লাল নন, সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জয় কামদারকেও তলব করা হয়েছে (ED summons)। আগামিকাল সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে দু’জনকেই। এর আগে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির পাশাপাশি জয় কামদারের বাড়িতেও অভিযান চালায় ইডি। সেই তল্লাশিতে প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
তল্লাশির সময় সোনা পাপ্পুর ব্যবহৃত একটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয় (ED summons)। পাশাপাশি একটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে, যা পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
ইডির দাবি, রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের দায়ের করা একাধিক মামলার ভিত্তিতেই সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট করে বিপুল অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে। যদিও বারবার সমন পাঠানো হলেও তিনি হাজিরা দেননি। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মাঝে মাঝেই সরাসরি এসে নানা দাবি করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে।
এই অবস্থায় সোনা পাপ্পুকে না পেলেও তদন্তের জাল ক্রমশ ছড়াচ্ছে। আইপিএস গৌরব লাল ও ব্যবসায়ী জয় কামদারকে তলব ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।










