তিন ‘মৃত’ ভোটারকে মঞ্চে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনায় রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রবিবার সেই রিপোর্ট কমিশনের কাছে পৌঁছেছে।
নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই তিন জনের মধ্যে দু’জনের ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়েছিল। বুথ স্তরের আধিকারিক বা বিএলও সেই কথা রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন। ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও-ও রিপোর্টে জানিয়েছেন, এই ভুল ইচ্ছাকৃত নয়। বাকি একজনের ক্ষেত্রেও বিষয়টিকে সাধারণ ভুল হিসেবেই ধরা হয়েছে (Election Commission)।
কমিশন সূত্রের খবর, মণিরুল মোল্লা এবং হরেকৃষ্ণ গিরির নাম প্রথমে বুথে তৈরি হওয়া বাদের তালিকায় ছিল না (Election Commission)। পরে ওয়েবসাইটে তাঁদের নাম মৃত হিসেবে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর বিএলও তাঁদের বাড়িতে যান। এরপর ফর্ম-৬ পূরণ করে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এক আধিকারিক জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার অনেক আগেই ওই দুই ভোটারের ফর্ম-৬ জমা দেওয়া হয়েছিল।
এই তিন ভোটার হলেন মণিরুল মোল্লা, হরেকৃষ্ণ গিরি এবং মায়া দাস। তাঁদের মধ্যে মণিরুল ও হরেকৃষ্ণ মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা এবং মায়া দাস কাকদ্বীপের বাসিন্দা।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক সভা থেকে ‘মৃত’ ভোটারের প্রসঙ্গ তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভার মঞ্চে ওই তিন জনকে তোলা হয়, যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় মৃত বলে দেখানো হয়েছিল। এই ঘটনার পরেই নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট তলব করে। রবিবার সেই রিপোর্ট জমা পড়ল।











