প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই কংগ্রেসের অন্দরে তীব্র অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে (Congress)। বুধবার প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দপ্তর বিধান ভবনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিক্ষুব্ধ কর্মীদের মধ্যে তুমুল বচসা শুরু হয়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। পুলিশের সামনেই ধস্তাধস্তি চলে। এক কর্মীর মাথা ফেটে যায় বলে জানা গিয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে (Congress)।
এই ঘটনার পিছনে যুব কংগ্রেস নেতা কাশিফ রেজার নাম উঠে এসেছে (Congress)। দলের একাংশের অভিযোগ, তাঁর নির্দেশেই কিছু লোক এনে হামলা চালানো হয়েছে। বালিগঞ্জ কেন্দ্রের টিকিট না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ জাহিদ হোসেন প্রকাশ্যে এই অভিযোগ তোলেন। ওই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে রোহন মিত্রকে। এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ বাড়ছিলই, বুধবার তা বিস্ফোরণের আকার নেয়।
সংঘর্ষের সময় মহিলা কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। ধস্তাধস্তির মধ্যে এক মহিলা কর্মী অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পুলিশ উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে বিক্ষুব্ধ কর্মীরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি তোলেন। স্থানীয় থানার পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা।
শুধু এই একটি ঘটনা নয়, প্রার্থী তালিকা প্রকাশের (Congress) পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। আমতা, বাগনান, শ্যামপুর, উলুবেড়িয়া সহ একাধিক কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। প্রবীণ নেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কংগ্রেস কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এমনকি দপ্তরের গেট ভেঙে তালা বদলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
ফালাকাটা এলাকাতেও ‘বহিরাগত’ প্রার্থী দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালান। সব মিলিয়ে ভোটের আগে কংগ্রেসের অন্দরের এই অশান্তি রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।













