সিইও দফতরের (CEO Office) সামনে অশান্তির ঘটনায় এবার স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করল পুলিশ। অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলের (CEO Office) আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা উপস্থিত ছিলেন এবং কে কী ভূমিকা নিয়েছেন, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
মঙ্গলবার দুপুর ও রাতের ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানো হয়েছে। লালবাজার সূত্রে খবর, দফতরের আশপাশের আরও কিছু অংশ এখন এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। ফলে সেখানে জমায়েত করার ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ জারি থাকবে (CEO Office)।
ঘটনাটি ঘটে কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে নির্বাচন দফতরের সামনে (CEO Office)। অভিযোগ, বিপুল পরিমাণ ফর্ম জমা পড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তৃণমূলের দাবি, বাইরে থেকে লোক এনে ভোটার তালিকায় নাম তোলার চেষ্টা চলছে। এই অভিযোগ ঘিরেই দফতরের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়।
পরে সেখানে অন্য পক্ষের কর্মীরাও পৌঁছে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বচসা ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। উত্তেজনা কমাতে লাঠিচার্জও করা হয় বলে জানা গিয়েছে (CEO Office)।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনাকে ভোটার তালিকা দখলের চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছেন এবং নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখেছেন। অন্যদিকে বিরোধী পক্ষ পাল্টা অভিযোগ করেছে, সাধারণ মানুষকে উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, যে কেউ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে আবেদন জমা দিতে পারেন। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমার পরে জমা পড়া আবেদন এই নির্বাচনে কার্যকর হবে না।
সব মিলিয়ে ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।













