বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার আশায় দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তিনি। দলের নির্দেশ মেনে নিজের জীবনপঞ্জিও জমা দিয়েছিলেন (Rinku Majumdar)। আশা ছিল, এবার ভোটে তাঁকেই প্রার্থী করবে দল। কিন্তু বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল, কোথাও জায়গা পাননি তিনি। আর তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার (Rinku Majumdar)।
ফোনে তিনি জানান, যেসব প্রার্থীকে দাঁড় করানো হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি-সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তিনি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়ে আগেই জানিয়েছিলেন (Rinku Majumdar)। কিন্তু তাতেও কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাঁর কথায়, দল কীভাবে প্রার্থী বাছাই করেছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।
রিঙ্কু বলেন (Rinku Majumdar), এতদিন ধরে দলের হয়ে কাজ করার পরও তাঁকে প্রার্থী করা হল না। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে জানানো হয়েছিল অভিযোগের প্রমাণ দিতে পারলে প্রার্থী বদল হতে পারে। কিন্তু পরে সেই বিষয়ে আর কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।
রাজারহাট-নিউটাউন ও বীজপুর—এই দুই কেন্দ্রের যেকোনও একটি থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। উল্টে যাঁদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে বলেই দাবি তাঁর (Rinku Majumdar)।
এখানেই থেমে থাকেননি রিঙ্কু। তিনি প্রশ্ন তোলেন, পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ শুধু তাঁর ক্ষেত্রেই কেন উঠছে? অন্য জায়গায় বাবা-ছেলে একসঙ্গে প্রার্থী হতে পারেন, সেখানে তাঁর ক্ষেত্রে আপত্তি কেন—এই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
এই ঘটনার পর বিজেপির অন্দরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। ভোটের আগে এই ধরনের অসন্তোষ দলকে কতটা প্রভাবিত করবে, তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।










