মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বরানগরে হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়ায় (Baranagar Clash)। তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা সামনে আসে। হোর্ডিং খুলে ফেলা নিয়ে প্রথমে বচসা শুরু হয়, পরে তা বড় আকার নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয় (Baranagar Clash)।
বরানগরের টবিন রোডের কাছে মল্লিক কলোনিতে বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষও। এই ঘটনায় অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ (Baranagar Clash)।
অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একদিকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, অন্যদিকে পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনা আরও বাড়ে (Baranagar Clash)। বিজেপির অভিযোগ, তাদের হোর্ডিং খুলে ফেলা হয় এবং প্রতিবাদ করতেই তৃণমূল কর্মীরা আক্রমণ করে।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপিই অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। দুই পক্ষই দাবি করেছে, বাইরে থেকে লোক এনে এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে (Baranagar Clash)।
সজল ঘোষ বলেন, আগের মতো পরিস্থিতি নেই, এখন পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ সব দেখছে এবং বিজেপির ভূমিকা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনার পর বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশ সঠিকভাবে কাজ করেনি এবং নিরপেক্ষ থাকলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। সব মিলিয়ে ভোটের আগে বরানগরের এই ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিল।












