চুম্বন বিতর্কের পর ফের শিরোনামে গায়ক উদিত নারায়ণ (Udit Narayana)। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণ ঝা। বিহারের সুপল জেলার মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। শুধু উদিত নন, তাঁর বর্তমান স্ত্রী দীপা নারায়ণ এবং দুই দাদার বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ করেছেন রঞ্জনা।
রঞ্জনার অভিযোগ, চিকিৎসার নামে তাঁর জরায়ু অপসারণ করা হয়েছিল। আর সেই ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন স্বয়ং উদিত নারায়ণ (Udit Narayana)। জানা গিয়েছে, ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বর মাসে উদিতের সঙ্গে বিয়ে হয় রঞ্জনার। কিন্তু ১৯৮৫ সালেই গায়ক তাঁকে রেখে মুম্বই চলে আসেন। পরে রঞ্জনার অগোচরে দীপাকে বিয়ে করেন বলেও অভিযোগ। রঞ্জনার দাবি, দ্বিতীয় বিয়ের খবর তিনি সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পারেন। এই নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যান উদিত (Udit Narayana)।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ ১৯৯৬ সালের একটি ঘটনার। রঞ্জনার দাবি, চিকিৎসার অজুহাতে তাঁকে দিল্লির একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উদিত (Udit Narayana), তাঁর দুই ভাই সঞ্জয় কুমার ঝা ও ললিত নারায়ণ ঝা এবং দ্বিতীয় স্ত্রী দীপা নারায়ণ। পরে কয়েক বছর পর চিকিৎসা করাতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন যে তাঁর শরীর থেকে জরায়ু অপসারণ করা হয়েছে। প্রথমে বিষয়টি তিনি বুঝতেই পারেননি বলে জানিয়েছেন রঞ্জনা।
রঞ্জনার কথায়, এরপর থেকেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। সাহায্যের জন্য বহুবার উদিতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনও সাড়া পাননি। ২০০৬ সালে মুম্বইয়ে গিয়ে স্বামীর বাড়িতে ঢুকতে চান তিনি। কিন্তু অভিযোগ, উদিত ও দীপা তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দেননি এবং তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়। নেপালে শ্বশুরবাড়িতেও তাঁকে অপমান করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন রঞ্জনা।
বর্তমানে তিনি বিহারের সুপলে বাবার বাড়িতে থাকেন। দীর্ঘদিন পর অবশেষে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে উদিত নারায়ণকে ঘিরে এই বিস্ফোরক অভিযোগে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।






