“এটা নতুন হিন্দুস্থান, ঘরে ঢুকে মারতেও পিছপা হয় না”— এই সংলাপেই মঙ্গলবার মুক্তি পাওয়া ‘ধুরন্ধর’-এর দ্বিতীয় ভাগের (Dhurandhar 2) টিজারে তুঙ্গে উঠেছে উন্মাদনা। ‘হামজা আলি’ চরিত্রে রণবীর সিংয়ের মারকাটারি অবতার দেখে উত্তেজিত অনুরাগীরা। তবে টিজার প্রকাশ্যে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছবির নির্মাতাদের ঘিরে শুরু হয়েছে আইনি জটিলতা।
তবে এই বিতর্ক সংলাপ বা ছবির বিষয়বস্তু নিয়ে নয়। অভিযোগ উঠেছে শুটিংয়ের সময় অবৈধভাবে ড্রোন ব্যবহার করার। জানা গিয়েছে, গত ৩০ জানুয়ারি থেকে দক্ষিণ মুম্বইয়ের ব্যস্ত ফোর্ট এলাকায় ‘ধুরন্ধর ২’-(Dhurandhar 2) এর শুটিং চলছিল। ওই এলাকায় পাকিস্তানের লিয়ারি শহরের আদলে একটি সেট তৈরি করা হয়েছিল। সেই সেটে কখনও কাঠের বাড়ির ব্যালকনিতে সঞ্জয় দত্ত, আবার কখনও ‘হামজা’ লুকে রণবীর সিংয়ের দৃশ্য ধরা পড়েছে।
এই শুটিং (Dhurandhar 2) চলাকালীনই বিনা অনুমতিতে ড্রোন উড়িয়ে দৃশ্যধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে মুম্বই পুলিশ। ফোর্ট এলাকায় একাধিক সরকারি দপ্তর ও গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রতিষ্ঠান থাকায় সেখানে নিরাপত্তা অত্যন্ত কড়া। সেই কারণে আকাশপথে ড্রোন চালানোর ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ম রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, কোনও রকম আগাম অনুমতি না নিয়েই ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় লোকেশন ম্যানেজার রিঙ্কু রাজপাল বাল্মীকির বিরুদ্ধে এমআরএ মার্গ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২২৩ ধারা অনুযায়ী ‘ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করার’ অভিযোগে এফআইআর রুজু করেছে পুলিশ। শুটিংয়ের জন্য ড্রোন ব্যবহারের অনুমতি কেন নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে এখন তদন্ত শুরু হয়েছে।












