Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • কিশোরীকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতন! ২০০ জন শিখের ঐক্যবদ্ধ লড়াই ঘরে ফিরল মেয়ে
বিদেশ

কিশোরীকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতন! ২০০ জন শিখের ঐক্যবদ্ধ লড়াই ঘরে ফিরল মেয়ে

london sikh
Email :4

পশ্চিম লন্ডনের (London) হাউন্সলো এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার মধ্যে এক ১৬ বছরের কিশোরীকে উদ্ধার করল শিখ সমাজের মানুষজন। অভিযোগ, এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওই নাবালিকার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তাঁকে বাড়ি ছাড়তে প্ররোচিত করেছিলেন (London)। বুধবার রাতভর বিক্ষোভের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয় এবং কিশোরীকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

শিখ প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযুক্তের বয়স প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি (London)। হাউন্সলো এলাকায় নাবালকদের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’ করার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আগেও উঠেছিল। জানা যাচ্ছে, ওই কিশোরীর বয়স যখন প্রায় ১৩ বছর, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। নানা প্রলোভন দেখিয়ে ধীরে ধীরে বিশ্বাস অর্জন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

ঘটনার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর অভিযুক্তকে পুলিশের ভ্যানে তোলা হচ্ছে। কিশোরীর বাবা-মাও সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩০ ডিসেম্বর একটি শিখ সমাজ সংগঠন সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে। সেখানে সংগঠনের এক সদস্য অভিযুক্তের সঙ্গে কথা বলছেন। স্থানীয় এক প্রতিবেশীও অভিযোগ করেন, ওই ব্যক্তি এর আগেও কম বয়সি মেয়েদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন (London)।

শিখ প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, কিশোরীর ১৬ বছরে পা দেওয়ার পর তাঁকে পরিবার থেকে আলাদা করে নেওয়া হয়। আইনের কিছু ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত এতদিন পুলিশের হাত এড়িয়ে যান বলেও অভিযোগ। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত সমাজের মানুষজন নিজেরাই উদ্যোগ নেন।

হাউন্সলো এলাকায় প্রায় ২০টি মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার পড়ুয়া ওই এলাকার পাশ দিয়েই যাতায়াত করে। এই ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে ব্রিটেনে শিখ সমাজের বিভিন্ন সংগঠন ইতিমধ্যেই এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। গত বছর থেকেই তারা সচেতনতা শিবির ও আলোচনা সভার আয়োজন করছে। তাদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের নামে সম্পর্ক শুরু করে পরে মানসিক চাপ, ভয় বা প্রলোভনের মাধ্যমে মেয়েদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

এই ঘটনা আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছে ব্রিটেনে গ্যাংয়ের মাধ্যমে নাবালিকা নির্যাতনের পুরনো বিতর্ক। গত বছর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এই বিষয়ে জাতীয় স্তরের তদন্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। অতীতে রাদারহ্যাম, রচডেল ও টেলফোর্ডের মতো শহরে বহু বছর ধরে এই ধরনের অভিযোগ উপেক্ষিত ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে।

চলতি বছরের শুরুতে এই ইস্যু ফের আলোচনায় আসে, যখন একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। হাউন্সলোর এই ঘটনা সেই বিতর্কে নতুন করে ইন্ধন জোগাল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts