মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এবার পূর্ব এশিয়াতেও পড়তে শুরু করেছে। উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি ঠেকাতে দক্ষিণ কোরিয়ায় আমেরিকা অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাড মোতায়েন করেছিল। কিন্তু ইরান যুদ্ধের (Middle East Crisis) পরিস্থিতির মধ্যে সেই ব্যবস্থার কিছু অংশ দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে খবর। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে ইরানের ধারাবাহিক হামলার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এতে কি উত্তর কোরিয়ার জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে (Middle East Crisis) ।
সাম্প্রতিক একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বড় বড় ট্রাকে করে থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু অংশ কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সোসিয়ং-রি এলাকার রাস্তায় গোপনে এই কাজ শুরু হলেও পরে তা সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। মনে করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে ইরানের হামলা ঠেকাতে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে (Middle East Crisis) । দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি তাঁর লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, যে ভিডিওটি সামনে এসেছে সেটি তিন মার্চ রাতের (Middle East Crisis) । সিওল থেকে প্রায় দুইশো ত্রিশ কিলোমিটার দূরে থাড রাডার ঘাঁটির কাছে সোসিয়ং-রি অঞ্চলের সেই দৃশ্য। যদিও এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সত্যিই মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি পেন্টাগন। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ যদি দীর্ঘদিন ধরে চলে, তাহলে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন আরও বাড়বে। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা কিছুটা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় আমেরিকা বিকল্প ব্যবস্থা করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এই ঘটনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধও ক্রমশ তীব্র হচ্ছে (Middle East Crisis) । বুধবার ইরান দাবি করেছে, তারা মার্কিন ঘাঁটি ও ইজরায়েলে বড় হামলা চালিয়েছে। দুবাই বিমানবন্দরের আশপাশে ড্রোন হামলায় একজন ভারতীয়সহ চারজন আহত হয়েছেন। বাহরিনেও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় দুই ভারতীয়ের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।












