পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ থামাতে আমেরিকা ও ইরানের (Iran War) মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত তা অচলাবস্থায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল সমস্যা তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। এই জলপথই এখন দুই দেশের মতবিরোধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
সূত্রের খবর, ইরান (Iran War) স্পষ্ট জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকবে এবং সেখানে চলাচলকারী জাহাজের উপর তারা শুল্ক আরোপ করতে পারে। অন্যদিকে আমেরিকা চাইছে এই জলপথে অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে। এই মতভেদের কারণেই আলোচনায় কোনও অগ্রগতি হয়নি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালীর উপর নির্ভরশীল (Iran War)। ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের উপর হামলার পর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ রয়েছে। তার ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়েছে এবং অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।
ইরানের (Iran War) দাবি, তারা হরমুজের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ এবং পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি চায়। অন্যদিকে আমেরিকা চাইছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে, যাতে তারা কোনওভাবে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী পরিষ্কার করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ওই এলাকায় প্রবেশ করেছে এবং মাইন সরানোর কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, ইরান যুদ্ধের ক্ষেত্রে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং তাদের সামরিক শক্তি অনেকটাই ধ্বংস হয়ে গেছে।
মার্কিন সেনা সূত্রেও জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে, যাতে ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ আবার চালু করা যায়।
এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। হরমুজ প্রণালী ঘিরে এই টানাপোড়েন কতদূর গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।










