ভারত মহাসাগরে ইরানের একটি রণতরীতে মার্কিন সাবমেরিন হামলার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে (Middle East crisis)। বুধবারের ওই হামলায় ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪৮ জন এখনও নিখোঁজ বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার পরই আমেরিকাকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। তারা জানিয়েছিল, এই হামলার ফল ভুগতে হবে।
হুঁশিয়ারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পালটা পদক্ষেপের দাবি করল ইরান (Middle East crisis)। উত্তর উপসাগরীয় এলাকায় একটি মার্কিন তেলবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। তাদের দাবি, হামলার ফলে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। যদিও জাহাজটির ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।
ভারত মহাসাগরের হামলার পর ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করা শত্রুপক্ষের সব জাহাজ নজরদারির আওতায় থাকবে (Middle East crisis)। সেই ঘোষণার পরেই এই হামলার ঘটনা সামনে এল। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
এদিকে আর একটি ইরানি রণতরী ভারত মহাসাগর পেরিয়ে তেহরানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। ওই জাহাজে প্রায় ১০০ জন রয়েছেন বলে খবর। সেটি শ্রীলঙ্কার উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নোঙর করার অনুমতি চেয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত অনুমতি মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শ্রীলঙ্কা সরকার শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চালাচ্ছে (Middle East crisis)।
এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, দ্বিতীয় ইরানি জাহাজটিও কি মার্কিন হামলার মুখে পড়বে? যদি তা হয়, তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে। ভারত মহাসাগর ও হরমুজ প্রণালী ঘিরে এই সংঘাত কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বজুড়ে।











