মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) জানালেন, ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর ইরানকে কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে হামলা এবং মার্কিন সেনাদের হত্যার জবাব খুব শিগগিরই দেওয়া হবে।
মার্কিন বিদেশ দফতরের দাবি, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি মানববিহীন ড্রোন আঘাত হানে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং দূতাবাসের উপর ঘন ধোঁয়া দেখা যায়। দূতাবাসের ছাদ ও চারপাশের অংশে ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, সীমিত অগ্নিকাণ্ড ও সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে (Donald Trump)।
এর আগেও কুয়েত ও জর্ডানে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অবস্থিত দূতাবাস থেকে নিরাপত্তার কারণে কর্মীদের সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় (Donald Trump)।
শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই নিহত হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে। পাল্টা ইরান ও তাদের মিত্ররা ইজরায়েল, উপসাগরীয় দেশ এবং বিশ্ব জ্বালানি উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাত হানছে।
ট্রাম্প (Donald Trump) বলেন, যুদ্ধ মানেই আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চলবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে চার থেকে পাঁচ সপ্তাহের সামরিক অভিযানের কথা ভাবা হলেও প্রয়োজনে তার থেকেও বেশি সময় অভিযান চালানোর ক্ষমতা আমেরিকার রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, গোটা বিশ্বের তেল ও গ্যাস বাজারে বড় প্রভাব পড়তে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।













