ইরান নিয়ে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। এই আবহেই ইস্টারের দিন প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সমাজমাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি সরাসরি ইরানকে হুমকি দিয়ে বলেন, যদি হরমুজ প্রণালী দ্রুত খুলে না দেওয়া হয়, তবে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর উপর ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
ট্রাম্প (Donald Trump) তাঁর পোস্টে ইঙ্গিত দেন, খুব শিগগিরই ইরানে বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলিকে লক্ষ্য করে বড়সড় আক্রমণ হতে পারে। তিনি লেখেন, মঙ্গলবার ইরানের জন্য “বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস” এবং “সেতু দিবস” হয়ে উঠতে পারে। এর পাশাপাশি তিনি অত্যন্ত কড়া ও বিতর্কিত ভাষা ব্যবহার করে ইরানকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।
এই মন্তব্য ঘিরে আমেরিকার রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিরোধী শিবিরের বহু নেতা ট্রাম্পের ভাষা ও মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন (Donald Trump)। তাঁদের অভিযোগ, এই ধরনের বক্তব্য আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথ বন্ধ করে দিতে পারে।
শুধু বিরোধীরাই নন, ট্রাম্পের (Donald Trump) ঘনিষ্ঠ মহলের মধ্যেও এই মন্তব্য নিয়ে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ধরনের প্রকাশ্য হুমকি পরিস্থিতিকে আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে চলা এই টানাপোড়েন যদি দ্রুত না মেটে, তাহলে তা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংঘাত বাড়লে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট আরও গভীর হতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে এখন সকলের নজর ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। প্রশ্ন একটাই— উত্তেজনা কি কমবে, নাকি যুদ্ধের দিকেই এগোবে পরিস্থিতি?










