Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • ফাঁসি হচ্ছে না ইরানে! ট্রাম্পের মন্তব্যে কি ঘুরছে পরিস্থিতির মোড়?
বিদেশ

ফাঁসি হচ্ছে না ইরানে! ট্রাম্পের মন্তব্যে কি ঘুরছে পরিস্থিতির মোড়?

iran protest qqqq
Email :2

ইরানে চলা রক্তক্ষয়ী দমন অভিযান নিয়ে হঠাৎই বড় মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Iran)। বুধবার স্থানীয় সময় তিনি জানান, তাঁকে জানানো হয়েছে যে ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে এবং ফাঁসি দেওয়ার কোনও পরিকল্পনাও আপাতত নেই (Iran)।

সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, তাঁকে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানানো হয়েছে যে ইরানে আর হত্যা হচ্ছে না বা তা বন্ধের পথে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, কোনও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনাও নেই (Iran)। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, এই তথ্য তিনি যা শুনেছেন তার ভিত্তিতেই বলছেন।

এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমন করতে গিয়ে ব্যাপক হিংসার অভিযোগ উঠেছে (Iran)। মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, গত কয়েক সপ্তাহে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। পশ্চিমি দেশগুলি বারবার এই হিংসার নিন্দা করেছে এবং ফাঁসি কার্যকর করা হলে তার গুরুতর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরানকে।

এদিকে উত্তেজনার মধ্যেই আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছু সেনা ও কর্মী সরিয়ে নিতে শুরু করেছে বলে খবর। রয়টার্স সূত্রে জানা গেছে, ইরানের হুঁশিয়ারির পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। তেহরান জানিয়েছিল, আমেরিকা হামলা চালালে প্রতিবেশী দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিও তাদের লক্ষ্য হতে পারে।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে, আমেরিকার সামরিক হস্তক্ষেপ খুব শিগগিরই হতে পারে। দুই ইউরোপীয় আধিকারিকের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলাতে পারে। অন্যদিকে এক ইজরায়েলি আধিকারিকের দাবি, ট্রাম্প ইতিমধ্যেই হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, যদিও তার সময় ও পরিসর এখনও স্পষ্ট নয়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলির দেওয়া মৃত্যুর সংখ্যায় বড় ফারাক রয়েছে। আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির দাবি, এখন পর্যন্ত অন্তত ২,৫৮৬ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে নরওয়ের ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা ৩,৪২৮ ছাড়িয়েছে এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরানে নজিরবিহীন মাত্রায় বেআইনি হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। যাচাই করা ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান উদ্ধৃত করে তারা জানায়, নিরাপত্তাবাহিনী রাস্তায় ও বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। মাথা ও শরীর লক্ষ্য করেই হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

অ্যামনেস্টির দাবি, ৮ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ হঠাৎ বেড়ে যায়। একই সময়ে ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের মন্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—ইরানে সত্যিই কি রক্তপাত থামছে, নাকি তা কেবল কূটনৈতিক বার্তা?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts