Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • ১৭ বছর পর ফেরা, এক মাসেই প্রধানমন্ত্রী! তারেকের অভাবনীয় কামব্যাক
বিদেশ

১৭ বছর পর ফেরা, এক মাসেই প্রধানমন্ত্রী! তারেকের অভাবনীয় কামব্যাক

tarique rahaman
Email :24

সত্যিই কি একে কামব্যাক বলা যায়? ২০০৮ সালে গ্রেফতারির পর জামিন পেয়ে চিকিৎসার জন্য দেশ ছেড়েছিলেন তারেক রহমান (Tarique Rahaman)। তারপর প্রায় ১৭ বছর বাংলাদেশে ফেরেননি। দেশজুড়ে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে, সরকার বদলেছে, কিন্তু তিনি ছিলেন লন্ডনে। অবশেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তিনি। আর দেশে ফেরার এক মাসের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর পদ যেন তাঁর (Tarique Rahaman) জন্য প্রস্তুত।

বিএনপি নেতাকে অনেকে ‘ডার্ক প্রিন্স’ (Tarique Rahaman) বলে ডাকেন। কারণ, মা খালেদা জিয়া-র আড়ালে থেকেও দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁর প্রভাব ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সময়েও তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কথা শোনা যায়। তবে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে বিদেশে চলে যান তিনি। এরপর দীর্ঘদিন লন্ডন থেকেই দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (Tarique Rahaman)।

এদিকে বাংলাদেশে এই সময়ের মধ্যে বড় পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৪ সালে গণআন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার। গঠিত হয় অন্তর্বর্তী প্রশাসন। সেই সময়ও প্রশ্ন উঠেছিল, তারেক দেশে ফিরবেন কি না। ২০২৫ সালের শেষদিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। তবু তাঁর ফেরা নিয়ে সংশয় ছিল।

অবশেষে ২৫ ডিসেম্বর দেশে পা রাখেন তারেক রহমান। বিমান থেকে নেমে দেশের মাটিতে মাথা ছুঁইয়ে প্রণাম করেন তিনি। সেই মুহূর্ত অনেকের কাছে প্রতীকী হয়ে ওঠে। এরপর থেকেই বিএনপির সংগঠনে নতুন উদ্দীপনা দেখা যায়। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন আশার সঞ্চার হয়।

সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬, এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠনের পথে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ফলাফল দেখিয়ে দিয়েছে যে ভোটাররা তাঁর নেতৃত্বের উপর ভরসা রেখেছেন।

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের দায়িত্ব যেমন তাঁর কাঁধে এসেছে, তেমনই এখন দেশের নেতৃত্বও তাঁর হাতেই যেতে চলেছে। ১৭ বছরের দূরত্ব পেরিয়ে এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায় খুলে দিল বলেই মনে করছেন অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts