Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • ড্রোন হামলার নির্দেশ থেকে গণহত্যা—তিন ধারায় দোষী সাব্যস্ত শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা
বিদেশ

ড্রোন হামলার নির্দেশ থেকে গণহত্যা—তিন ধারায় দোষী সাব্যস্ত শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা

Email :92

মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড পেলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ঐতিহাসিক রায়ে মঙ্গলবার স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—ড্রোন, হেলিকপ্টার ও মারণাস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের উপর হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা (Sheikh Hasina)। রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, ঢাকার চানখাঁরপুলে আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে খুন এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে মারার যে অভিযোগ উঠেছিল, আদালত জানিয়েছে সেই প্রমাণ যথেষ্ট জোরালো। এই তিন ধারার মধ্যে দু’টিতে তাঁকে ফাঁসির সাজা এবং একটি ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে (Sheikh Hasina)।

এতেই থেমে যায়নি আদালতের রায়। একই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন পুলিশপ্রধান (আইজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। আসাদুজ্জামানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে (Sheikh Hasina)। আর মামুন যেহেতু আদালতে রাজসাক্ষী হয়েছেন, তাই তাঁর সাজা তুলনামূলক কম— পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

রায়ের সময়ে বিচারক স্পষ্ট বলেন, প্রধানমন্ত্রী পদে থেকেও গণহত্যা থামাতে কোথাও কোনও পদক্ষেপ নেননি শেখ হাসিনা। বরং তদন্তে প্রমাণ হয়েছে, বহু ক্ষেত্রেই তিনি নিজে নির্দেশ দিয়েছেন বা নির্দেশকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। তাই তাঁকে শুধু অভিযুক্ত নয়, অপরাধের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও দেখা হয়েছে আদালতের নজরে। পাশাপাশি শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামানের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই রায়ের পর বাংলাদেশে তীব্র আলোড়ন শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ—সবাই প্রশ্ন তুলছেন, দেশের ইতিহাসে প্রথম কোনও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ফাঁসির সাজা পেলেন। আদালতের বাইরে ভিড় জমে যায়, কেউ উল্লাস, কেউ ভয়ে স্তব্ধ। আন্তর্জাতিক মহলেও রায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

বাংলাদেশের আগামী রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোনদিকে মোড় নেবে—তাতেও তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts