Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • পাঁচ যুদ্ধবিমানের পাহারায় ভ্যান্স! পাকিস্তানে ঢুকতেই নজিরবিহীন নিরাপত্তা
বিদেশ

পাঁচ যুদ্ধবিমানের পাহারায় ভ্যান্স! পাকিস্তানে ঢুকতেই নজিরবিহীন নিরাপত্তা

pjd vance in pakistan
Email :3

ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনায় যোগ দিতে শনিবার পাকিস্তানে (Pakistan) পৌঁছেছেন মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স। তাঁর সফর ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়েছে। ভ্যান্সের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকতেই পাঁচটি যুদ্ধবিমান তাকে ঘিরে নিরাপত্তা দেয়। এই দৃশ্য দেখে অনেকেই মনে করছেন, সফর ঘিরে বড় ধরনের নিরাপত্তা আশঙ্কা ছিল।

শনিবার সকালে ভ্যান্সের বিশেষ বিমান পাকিস্তানে (Pakistan) প্রবেশ করে। এরপর থেকে পুরো পথ জুড়ে তাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়। বিমানটি অবতরণ করে নূর খান বিমান ঘাঁটিতে। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইশক দার এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তাঁদের পক্ষ থেকে ভ্যান্সকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। তাঁর সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যও এসেছেন (Pakistan)।

এদিকে শান্তি বৈঠকের আগে ইসলামাবাদ শহরকে প্রায় নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। হাজার হাজার পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। সংসদ, সরকারি দফতর, হোটেল এবং দূতাবাস এলাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে বিশেষ সুরক্ষায় রাখা হয়েছে (Pakistan)।

শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার কারণে স্কুল, কলেজ এবং বাজারও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং সেখানে সারাক্ষণ সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যান চলাচলেও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর দু’দেশের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে (Pakistan)। সেই পরিস্থিতিতে এই শান্তি বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি ইরানের প্রতিনিধিরাও পৌঁছেছেন। আলোচনায় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালী এবং পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কথা হতে পারে।

ইরান জানিয়েছে, তারা শান্তি চায়, তবে আমেরিকার উপর পুরোপুরি ভরসা করছে না। তাই চুক্তির আগে কিছু শর্তও দিয়েছে তারা। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সামরিক শক্তি না বাড়ানো এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতা করা।

এই বৈঠকের ফলাফল এখন গোটা বিশ্বের নজরে। কারণ এই আলোচনা সফল হলে উত্তেজনা অনেকটাই কমতে পারে, আর ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি আবার জটিল হয়ে উঠতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts