Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবাকে কড়া বার্তা! শাসনব্যবস্থা উপড়ে ফেলার হুমকি ইজরায়েলের
বিদেশ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবাকে কড়া বার্তা! শাসনব্যবস্থা উপড়ে ফেলার হুমকি ইজরায়েলের

iran new leader a
Email :4

ইরানকে ঘিরে চলতে থাকা যুদ্ধের আবহে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Middle East Crisis)। তাঁর বক্তব্য, ইরানের নতুন নেতৃত্বকে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না এবং প্রয়োজন হলে তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে উপড়ে ফেলতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ইরান প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান প্রত্যাশার থেকেও ভালো ফল দিচ্ছে (Middle East Crisis)। তাঁর দাবি, এই অভিযানের ফলে ইরানের সামরিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়েছে এবং ইজরায়েল আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, তিনি আসলে ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর হাতের পুতুল মাত্র (Middle East Crisis)। নেতানিয়াহুর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে মোজতবা প্রকাশ্যে কোথাও বেরোতে পারছেন না এবং আড়াল থেকেই সমস্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কোনও নিরাপত্তা নেই। সেই শাসনব্যবস্থাকে সরিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, ইরানের রাস্তাঘাট এবং বিভিন্ন জায়গায় বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ও বাসিজ বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালানো হচ্ছে (Middle East Crisis)।

প্রসঙ্গত, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মোজতবা খামেনেইয়ের পরিবারেও বড় ক্ষতি হয়েছে। সেই হামলায় তাঁর স্ত্রী এবং আট বছরের ছেলে নিহত হন বলে জানা যায়। সেই সময় মোজতবা গুরুতর আহত হন বলেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

খবর অনুযায়ী, ওই হামলায় তিনি গুরুতর জখম হন এবং তাঁর একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। শরীরের একাধিক অঙ্গেও গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা যায়। বর্তমানে তেহরানের একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতির মাঝেই ইরানের জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তাঁর বক্তব্য, ইরানের মানুষের সামনে স্বাধীনতার সুযোগ এসেছে। তিনি বলেন, ইরানের জনগণ যদি বর্তমান শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চান, তাহলে ইজরায়েল তাঁদের পাশে থাকবে।

তবে একই সঙ্গে তিনি এটাও বলেন, বাইরে থেকে কেউ কাউকে বাধ্য করতে পারে না। শেষ সিদ্ধান্ত ইরানের মানুষেরই নিতে হবে।

অন্যদিকে আড়াল থেকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে প্রথমবার বক্তব্য রাখেন মোজতবা খামেনেই। সেই ভাষণে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হরমুজ প্রণালী খোলার কোনও প্রশ্নই নেই। তাঁর দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিগুলিও বন্ধ করতে হবে। না হলে সেই ঘাঁটিগুলির উপর হামলা চালানো হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

মোজতবা আরও বলেন, যুদ্ধের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য শত্রুপক্ষের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে ইরান। তাঁর এই বক্তব্যের পরেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts