দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর নতুন মোড় নিতে চলেছে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি। লেবানন (Lebanan) এবং ইসরায়েল-এর মধ্যে প্রথমবার সরাসরি যোগাযোগ হতে চলেছে আমেরিকার মাটিতে। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে উপস্থিত থাকবেন আমেরিকার বিশেষ দূত মিশেল ইসাও।
সূত্রের খবর, এই ফোনালাপের মূল লক্ষ্য আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে হতে চলা শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি নেওয়া। দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর এই প্রথম এমন সরাসরি যোগাযোগ হওয়ায় কূটনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার নতুন দরজা খুলতে পারে (Lebanan) ।
আগামী সপ্তাহেই আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরে দুই দেশের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে আমেরিকার পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করবেন লেবাননে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা এবং ইসরায়েলের পক্ষ থেকে থাকবেন তাদের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার। তবে লেবাননের পক্ষ থেকে কে উপস্থিত থাকবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয় (Lebanan) ।
এই কূটনৈতিক উদ্যোগের মাঝেই পরিস্থিতি কিন্তু এখনও উত্তপ্ত। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, ইসরায়েলের হামলায় একদিনেই তিনশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এক হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা বৈরুতের এক অভিযানে হিজবুল্লাহ প্রধানের ঘনিষ্ঠ এক নেতাকে হত্যা করেছে।
তবে হিজবুল্লাহ ইতিমধ্যেই সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, লেবাননের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে তারা সরাসরি আলোচনায় বসবে না।
এদিকে, বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, লেবাননের তরফে একাধিকবার আলোচনার অনুরোধ আসার পরই তিনি সরাসরি আলোচনা শুরু করার অনুমতি দিয়েছেন। তাঁর কথায়, যত দ্রুত সম্ভব এই আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকে মূলত হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরও জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হবে।













