মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের সংঘর্ষের মাঝে এবার কি শান্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে? এমনই ইঙ্গিত দিল ইজরায়েল (Israel)। দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, লেবাননের সঙ্গে সংঘর্ষ থামাতে আলোচনায় বসতে রাজি তাঁর সরকার। তিনি ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভাকে নির্দেশ দিয়েছেন, লেবাননের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার প্রস্তুতি নিতে (Israel)।
এর আগে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে দুই সপ্তাহের জন্য সংঘর্ষবিরতির কথা ঘোষণা করা হয়। সেই সময় দাবি উঠেছিল, লেবাননও এই যুদ্ধবিরতির আওতায় আসতে পারে। কিন্তু তা মানেনি ইজরায়েল। বরং ইরানে হামলা কমলেও লেবাননে আক্রমণ চলতেই থাকে (Israel)।
লেবাননের দাবি, একদিনের হামলাতেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশে। নিহতদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় শোকও ঘোষণা করা হয়েছে (Israel)।
এই পরিস্থিতিতে ইরানও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, যদি সত্যিই যুদ্ধবিরতি হয়, তাহলে তা সব জায়গায় একসঙ্গে হতে হবে। না হলে কোনও জায়গাতেই তা কার্যকর হবে না। এই বক্তব্যের পরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
এমন অবস্থায় আলোচনার পথে হাঁটার বার্তা দেয় ইজরায়েল। নেতানিয়াহু জানান, লেবাননের তরফ থেকেই বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছিল। এবার সেই প্রস্তাবে সাড়া দিতে প্রস্তুত তারা (Israel)।
তবে এখনও পর্যন্ত কোথায় এবং কবে এই আলোচনা হবে, তা স্পষ্ট নয়। কে বা কারা মধ্যস্থতা করবে, সেটাও ঠিক হয়নি। সূত্রের খবর, লেবানন চায় আমেরিকা এই আলোচনায় মধ্যস্থতা করুক এবং বৈঠক হোক ওয়াশিংটনে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে ইরানের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ, লেবাননে হামলা চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার মতো বড় পদক্ষেপ নিতে পারে তারা, যার প্রভাব পড়বে গোটা বিশ্বে।
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনও অস্থির। তবে আলোচনার ইঙ্গিত ঘিরে নতুন করে শান্তির আশা দেখছে আন্তর্জাতিক মহল।












