Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • দু’সপ্তাহে শেষ হবে যুদ্ধ? ট্রাম্পের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য, পাল্টা জবাব ইরানের
বিদেশ

দু’সপ্তাহে শেষ হবে যুদ্ধ? ট্রাম্পের দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য, পাল্টা জবাব ইরানের

iran war
Email :4

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ আরও জটিল হয়ে উঠছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, আর দু’সপ্তাহের মধ্যেই এই যুদ্ধ থেমে যাবে এবং আমেরিকার ধারাবাহিক হামলায় ইরান ভেঙে পড়বে (Iran War)। তিনি আরও বলেন, ইরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তেহরান। ইরানের সেনা কর্তারা জানিয়েছেন, তারা কোনওভাবেই যুদ্ধবিরতির আবেদন করেনি (Iran War)।

এদিকে সংঘাতের আগুন আরও ছড়িয়ে পড়েছে লেবাননের দক্ষিণে। একাধিক জায়গায় বোমাবর্ষণ চালিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী। পাল্টা আক্রমণ করছে হেজবোল্লা। একটি হামলায় অন্তত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ইরানের (Iran War) দিকে পাঠিয়েছে অত্যাধুনিক বি-৫২ বোমারু যুদ্ধবিমান। এই প্রথম সরাসরি ইরানকে লক্ষ্য করে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতেই এই অভিযান। এই যুদ্ধবিমান সহজে রাডারে ধরা পড়ে না বলেই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে (Iran War)।

যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সমুদ্রপথেও। হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে বিশ্বের বহু দেশ। প্রায় তিন হাজার তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ সেখানে আটকে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই জাহাজগুলিতে প্রায় কুড়ি হাজারের বেশি নাবিক ও কর্মী রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকায় তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খাবার ও পানীয় জলের ঘাটতিও দেখা দিচ্ছে। নাবিকদের অনেকেই সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছেন, তাঁরা জানিয়েছেন এই পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে।

আন্তর্জাতিক পরিবহন কর্মী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগেই এক নাবিক সাহায্যের আবেদন করে জানিয়েছিলেন, জাহাজে থাকা খাবার ও জলের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে বড় বিপদ হতে পারে।

এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে (Iran War)। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপে বড় প্রভাব পড়তে চলেছে। এপ্রিল মাসে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বিশেষ করে জেট জ্বালানি ও ডিজেলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই এশিয়ার কিছু অংশে এই সংকটের প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের কারণে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি বিশ লক্ষ ব্যারেল তেলের সরবরাহ কমে গিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বহু গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার এবং উৎপাদন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে এবং আগামী দিনে এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts