প্রায় চল্লিশ দিন ধরে যুদ্ধ চলার পর ইরান ও আমেরিকার মধ্যে দুই সপ্তাহের সংঘর্ষবিরতি হলেও পরিস্থিতি মোটেও স্বাভাবিক হয়নি (Strait Of Hormuz)। শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। ভারতীয় সময় রবিবার ভোরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, আলোচনায় কোনও সমাধান হয়নি (Strait Of Hormuz)।
এই পরিস্থিতিতেই বড় ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী (Strait Of Hormuz) দিয়ে জাহাজের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে এবার আমেরিকা কড়া পদক্ষেপ নেবে। তাঁর দাবি, ইরান জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
নিজের সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প লেখেন, আমেরিকা চায় সব জাহাজ নিরাপদে যাতায়াত করুক। কিন্তু ইরানের কারণে সেই স্বাভাবিক ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে (Strait Of Hormuz)। তাই মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সমুদ্রপথে নজরদারি বাড়াতে এবং যেসব জাহাজ ইরানকে বেআইনি অর্থ দিয়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে।
শান্তি আলোচনার আগেই ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত করতেই হবে। এখন আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর সেই অবস্থান আরও কড়া হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে বড় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (Strait Of Hormuz)।
অন্যদিকে, যুদ্ধের কারণে ইরানের বিপুল ক্ষতি হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইরান নতুন পরিকল্পনা করছে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জ্বালানিবাহী জাহাজ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে চায় তারা। প্রতি ব্যারেল জ্বালানির জন্য নির্দিষ্ট অর্থ নেওয়ার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে (Strait Of Hormuz)।
এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি পরিবহন হয়। ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।













