গোটা বিশ্বের নজর ছিল ইসলামাবাদের বৈঠকের দিকে (Middle East Crisis)। কিন্তু দীর্ঘ একুশ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনার পরও কোনও সমাধান মেলেনি। ব্যর্থ হয়েছে ইরান ও আমেরিকার শান্তি বৈঠক। ফলে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে (Middle East Crisis)।
বৈঠকের পরে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, ইরান কোনওভাবেই তাদের শর্ত মানতে রাজি নয় (Middle East Crisis)। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির বিষয়েও ইরান স্পষ্টভাবে রাজি হয়নি বলে দাবি তাঁর। অন্যদিকে ইরানের বক্তব্য, আমেরিকার দাবিগুলি অন্যায্য এবং তা মেনে নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
বড় জট তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালী নিয়ে (Middle East Crisis)। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপর তাদেরই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। অন্যদিকে আমেরিকা চাইছে সেই নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন আনতে। কিন্তু কেউই নিজেদের অবস্থান থেকে এক চুলও সরতে রাজি নয়।
প্রায় ছয় সপ্তাহের সংঘর্ষের পর সম্প্রতি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরেই ইসলামাবাদে এই বৈঠক শুরু হয়েছিল (Middle East Crisis)। সেই সময় বিশ্বজুড়ে আশার আলো দেখা গিয়েছিল, এমনকি শেয়ার বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। কিন্তু এই বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় সেই আশায় বড় ধাক্কা লাগল।
সূত্রের খবর, দুই পক্ষই একে অপরের শর্ত মানতে নারাজ। ইরান যেমন নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়, তেমনই আমেরিকাও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ফলে সমাধানের পথ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
এদিকে বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরানের অবস্থান নিয়ে আমেরিকা উদ্বিগ্ন নয় এবং হরমুজ খুলতেই হবে। ইতিমধ্যেই সেই লক্ষ্যে পদক্ষেপ শুরু হয়েছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে আবারও নতুন করে আলোচনা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে। তবে আপাতত দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনও লক্ষণ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।













