ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল মার্কিন যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটকে ঘিরে (Iran War)। ইরানের পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত দূতাবাস সোশাল মাধ্যমে এক মার্কিন পাইলটের মায়ের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছে (Iran War)। তাদের দাবি, ওই পাইলটরা আমেরিকার হাতে নয়, ইরানের হেফাজতেই বেশি নিরাপদ।
সোশাল মাধ্যমে ইরানের পাকিস্তান দূতাবাস জানায়, “আপনার ছেলেরা আমেরিকার চেয়ে ইরানের হেফাজতেই বেশি নিরাপদ। প্রার্থনা করুন তারা যেন ইরানের কাছেই থাকে।” একইভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইরানের দূতাবাস দাবি করেছে, ইরানে বহু আগেই যুদ্ধবন্দিদের অধিকার নির্ধারিত হয়েছে এবং তাদের সম্মান দিয়ে রাখা হয় (Iran War)।
এই মন্তব্যের আগে সোশাল মাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেন এক মার্কিন পাইলটের মা। তিনি জানান, তাঁর ছেলে সহ দুই পাইলট নিখোঁজ এবং তাঁদের জন্য সবাইকে প্রার্থনা করার আবেদন জানান। তাঁর কথায়, ছেলের কোনও খবর না পেয়ে তিনি ভীষণ উদ্বিগ্ন।
শুক্রবার ইরান দুটি আলাদা ঘটনায় আমেরিকার যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে বলে জানা গেছে। এক জন পাইলটকে উদ্ধার করা হলেও অন্য একজন এখনও নিখোঁজ। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আরও জানিয়েছে, একটি মার্কিন হামলা বিমান পারস্য উপসাগরে ভেঙে পড়েছে। যদিও আমেরিকার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সেটি গুলি করে নামানো হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
এই ঘটনার পর উদ্ধারকাজে নেমেছে মার্কিন বাহিনী। পাহাড়ি এলাকায় ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য বিমান দিয়ে খোঁজ চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। ইরানের দাবি, অন্তত এক পাইলট বিমান থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন।
একই সময় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে। বাহরাইনে সাইরেন বেজে উঠেছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি জানিয়েছে, তারা একাধিক ড্রোন ভেঙে দিয়েছে। ইজরায়েলও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কবার্তা দিয়েছে।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে (Iran War)। বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, এই সংঘাত আরও বড় আকার নিতে পারে কি না, সেই আশঙ্কায়।










