যুদ্ধের শুরুতেই বড়সড় হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা (Iran Supreme Leader) মোজতবা খামেনেই। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হামলায় তাঁর মুখে গভীর আঘাত লেগেছে এবং পায়েও গুরুতর চোট পেয়েছেন তিনি। তবে এই অবস্থাতেও তিনি মানসিকভাবে সচেতন রয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে (Iran Supreme Leader)।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিনে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় তেহরানে সর্বোচ্চ নেতার (Iran Supreme Leader) বাসভবনে আঘাত হানা হয়। সেই হামলাতেই মৃত্যু হয় তাঁর বাবা তথা প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইয়ের। ওই হামলায় পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যেরও মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছে (Iran Supreme Leader)।
এরপর থেকেই প্রকাশ্যে খুব কমই দেখা যাচ্ছে মোজতবা খামেনেইকে। তাঁর কোনও ছবি, ভিডিও বা বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থা এবং কোথায় রয়েছেন, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।
যদিও সূত্রের দাবি, গুরুতর আহত হলেও তিনি অডিও বৈঠকের মাধ্যমে যুদ্ধ এবং আমেরিকার সঙ্গে আলোচনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তবে তিনি সরাসরি কতটা প্রশাসন চালাতে পারছেন, তা স্পষ্ট নয় (Iran Supreme Leader)।
ইরানের তরফে তাঁর আঘাতের মাত্রা নিয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা করা হয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে একবার তাঁকে গুরুতর আহত যোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। অন্যদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দপ্তরের তরফেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে তাঁর চেহারায় বড় ধরনের আঘাত লেগেছে এবং সম্ভবত একটি পা হারিয়েছেন।
মার্চ মাসে তিনি প্রথমবার লিখিত বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। সেখানে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার কথা বলেন এবং প্রতিবেশী দেশগুলিকে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি না দেওয়ার সতর্কবার্তা দেন।
এরপর থেকে তাঁর দফতরের তরফে মাঝে মাঝে ছোট ছোট লিখিত বার্তা প্রকাশ করা হচ্ছে। কিন্তু সরাসরি তাঁর উপস্থিতি না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সমাজমাধ্যমেও এই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি ঠিক কোথায় আছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা আসলে কেমন। একটি ভাইরাল ছবিতে খালি চেয়ার দেখিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তিনি কোথায়।
এই পরিস্থিতিতে ইরানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং চলতি সংঘাতের গতিপথ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।






