মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির মাঝেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। বুধবার ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে ইরান স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে, লেবাননে ইজরায়েলের হামলা বন্ধ না হলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে সরে আসতে পারে (Ceasefire)।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা একাধিক জাহাজকে ইরানের নৌবাহিনী জানিয়ে দিয়েছে, জলপথ এখনও বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে (Ceasefire)।
এদিকে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে হওয়া দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইজরায়েল আগেই জানিয়েছিল, এই চুক্তির মধ্যে লেবানন পড়ে না, কারণ সেখানে হেজবোল্লার উপস্থিতি রয়েছে। আমেরিকার তরফ থেকেও জানানো হয়েছে, লেবানন এই চুক্তির অংশ নয় (Ceasefire)।
এই পরিস্থিতিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কারণ পাকিস্তানের মধ্যস্থতাতেই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ইরান ও লেবাননে ইজরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গেও এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (Ceasefire)।
অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, যুদ্ধবিরতি সব জায়গায় প্রযোজ্য হওয়া উচিত, লেবানন-সহ। তবে ইজরায়েল তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে এবং তারা লেবাননে বড় আকারে সামরিক হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।
ইরানের তরফে আরও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, যদি আমেরিকা ইজরায়েলকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে ইরান নিজেই পদক্ষেপ নেবে। এমনকি প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও বলা হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লেবাননে হামলার জবাব দিতে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তারা ইজরায়েলকে শাস্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে স্পষ্ট, যুদ্ধবিরতি থাকলেও বাস্তবে সংঘর্ষ থামেনি। বরং পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থায় যে কোনও সময় বড় যুদ্ধ শুরু হতে পারে এবং তার প্রভাব পড়তে পারে গোটা বিশ্বের উপর।













