Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • নোবেল পুরস্কারের পথে প্রধান বাধা মোদি! ট্রাম্পের ভারতে না আসা নিয়ে জল্পনা চরমে
বিদেশ

নোবেল পুরস্কারের পথে প্রধান বাধা মোদি! ট্রাম্পের ভারতে না আসা নিয়ে জল্পনা চরমে

trump and modi a
Email :2

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এ বছর ভারতের নির্ধারিত কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে আর আসছেন না। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, গত কয়েক মাসে ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক ভেঙে পড়েছে, আর সেই কারণেই তিনি সফর বাতিল করেছেন।

প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল— “নোবেল পুরস্কার আর এক অশান্ত ফোনালাপ: কীভাবে ট্রাম্প-মোদির সম্পর্ক ভেঙে গেল”। সেখানে বলা হয়েছে, প্রথমে ট্রাম্প (Donald Trump) মোদিকে জানিয়েছিলেন যে তিনি এ বছর ভারতের কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন, কিন্তু এখন তাঁর আর কোনো পরিকল্পনা নেই। উল্লেখ্য, এই বছরের শেষ দিকে কোয়াড সম্মেলন আয়োজনের কথা রয়েছে ভারতের।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে জানুয়ারি ২০২৫-এ কোয়াডের বৈদেশিক মন্ত্রীদের বৈঠকের আয়োজন করেছিল, ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরদিনই। কিন্তু এর মধ্যে দিল্লি-ওয়াশিংটনের মধ্যে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন ও কূটনৈতিক অস্বস্তি শুরু হয়।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যে চার দিনের যুদ্ধ হয়েছিল, তা নিয়ে ট্রাম্প বারবার দাবি করেন যে তিনি (Donald Trump) সেই সংঘাত ‘সমাধান’ করেছেন। কিন্তু ভারত সেই দাবি সরাসরি অস্বীকার করে। এই কথাবার্তায় নাকি মোদি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

গত ১৭ জুন কানাডায় জি৭ সম্মেলন শেষে ট্রাম্প যখন ওয়াশিংটনে ফিরছিলেন, তখন প্রায় ৩৫ মিনিটের ফোনালাপে তাঁর সঙ্গে কথা হয় মোদির। জি৭-এর কানানাসকিস সম্মেলনের সাইডলাইনে তাদের দেখা হওয়ার কথা থাকলেও, ট্রাম্প হঠাৎ করেই আগেভাগে ওয়াশিংটন ফিরে যান।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি কানাডা থেকে একটি ভিডিও বার্তায় জানান, মোদি স্পষ্টভাবে ট্রাম্পকে জানিয়েছিলেন— অপারেশন সিঁদুর-এর পরবর্তী দিনগুলোতে কোনো স্তরেই ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বা আমেরিকার মধ্যস্থতার কোনো আলোচনা হয়নি (Donald Trump) । বরং পাকিস্তানই শান্তির উদ্যোগ নিয়েছিল এবং দুই সেনাবাহিনীর বিদ্যমান চ্যানেলের মাধ্যমেই সেই সমঝোতা হয়েছিল।

কিন্তু জুন ১৭-র সেই ফোনালাপে ট্রাম্প আবারো দাবি করেন যে শান্তি ফেরানোর কৃতিত্ব তাঁর। এমনকি তিনি মোদিকে বলেন, পাকিস্তান তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করতে চায়, আর মোদিকেও একই কাজ করা উচিত। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, মোদি এই প্রস্তাবে বিরক্ত হন এবং সোজাসুজি বলে দেন, এই যুদ্ধবিরতিতে আমেরিকার কোনো ভূমিকা নেই।

ট্রাম্প এই কথাগুলো গুরুত্ব না দিলেও, মোদির এভাবে সাড়া না দেওয়া এবং নোবেল নিয়ে কোনো আগ্রহ না দেখানোই তাদের সম্পর্ক খারাপ করার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ প্রথম প্রেসিডেন্সির সময় থেকেই ট্রাম্প-মোদি সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ বলা হতো।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts