মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশের (Bangladesh) একাদশতম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহাবুদ্দিন। বিকেল ৪টা ১৩ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে গোপনীয়তার শপথ নেন তিনি (Bangladesh)। এরপর শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে (Bangladesh)। দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের ২৫টি জেলা থেকে কোনও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়নি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত তারেক রহমানের সতর্ক কৌশলেরই ইঙ্গিত। ‘মুজিব-গড়’ হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জের মতো আওয়ামি লিগ প্রভাবিত অঞ্চল থেকেও কাউকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়নি। আবার যে সব এলাকায় আগে জামাতের প্রভাব ছিল, সেখান থেকেও কাউকে সুযোগ দেওয়া হয়নি (Bangladesh)।
উল্লেখ্য, অতীতে বিএনপি ও জামাত একসঙ্গে সরকার চালালেও এবার সেই সমীকরণ বদলেছে। যদিও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান। বিরোধী দলীয় উপনেতা হচ্ছেন কুমিল্লা-১১ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মহম্মদ তাহের। বিরোধী দলীয় মুখ্য সচেতক হচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনও রকম অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা এড়াতেই সতর্কভাবে পদক্ষেপ করেছেন তারেক রহমান। তাই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতিনিধিত্ব না থাকাকে অনেকেই কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে বিদায়ী ভাষণ দেন। নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে পারে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।
নতুন সরকার গঠনের পর এখন নজর, তারেক রহমান কীভাবে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামলান। পাশাপাশি মন্ত্রিসভা গঠনে যে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যতের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, সেদিকেও তাকিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।











