Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ালেন, তারপর হাতুড়ি, লোহার পাইপে পিটিয়ে হত্যা! শিক্ষিকার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি
দেশ

ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ালেন, তারপর হাতুড়ি, লোহার পাইপে পিটিয়ে হত্যা! শিক্ষিকার চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি

dead body m
Email :2

অসাধারণ এক প্রেমকাহিনি, কিন্তু তার সমাপ্তি হলো নৃশংস হত্যাকাণ্ডে (Murder)। ২০০৫ সালে কর্ণাটকের কালাবুরগির এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচয় হয়েছিল দুই শিক্ষক ইমতিয়াজ আহমেদ ও লক্ষ্মীর। প্রেমে পড়ে তারা ২০১১ সালে বিয়ে করেন। এটি ছিল একটি আন্তঃধর্মীয় বিবাহ, কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে উভয় পরিবারেই কোনো আপত্তি ছিল না। তাদের সংসারে জন্ম নেয় এক পুত্রসন্তান। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল, কিন্তু পরে এই সম্পর্ক ভেঙে যায় এক গোপন সম্পর্ক ও চরম ষড়যন্ত্রের কারণে (Murder)।

২০১৪ সালে লক্ষ্মীর মা অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ভদ্রাবতীতে চলে যান মায়ের দেখাশোনার জন্য। সেখানেই তার শৈশবের বন্ধু কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে সেই বন্ধুত্ব পরিণত হয় প্রেমে। এদিকে ইমতিয়াজের বদলি আটকে থাকলেও অবশেষে ২০১৬ সালে তিনি ভদ্রাবতীতে চলে আসেন। তখনই তিনি স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কে জানতে পারেন। পরিবার থেকে কৃষ্ণমূর্তিকে সাবধান করা হলেও তারা দু’জন তখনই খুনের (Murder) পরিকল্পনা করে ফেলে।

৭ জুলাই ২০১৬ সালের রাতে পরিকল্পনা মতো ইমতিয়াজের খাবারে ঘুমের ওষুধ মেশানো হয় (Murder)। এরপর লক্ষ্মী ও কৃষ্ণমূর্তি লোহার পাইপ ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ইমতিয়াজকে হত্যা করে। কৃষ্ণমূর্তির ভাই শিবরাজু পরে মৃতদেহটি ইনোভা গাড়িতে করে নিয়ে গিয়ে ভদ্রা নদীতে ফেলে দেয়।

কিন্তু ঘটনার (Murder) পর লক্ষ্মী ভয় পেয়ে যান। তিনি নিজেই ইমতিয়াজের ভাই এজাজ আহমেদকে ফোন করে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং বলেন, প্রতিদিন স্বামী মারধর ও হয়রানি করত, তাই তিনি খুন করেছেন। তিনি এজাজকে অনুরোধ করেন যেন পুলিশকে না জানায়, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাকে রক্ষা করে। কিন্তু এজাজ সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।

তৎকালীন থানার ইন্সপেক্টর টি কে চন্দ্রশেখর দ্রুত ব্যবস্থা নেন। পুলিশ ফোন লোকেশনের সূত্র ধরে লক্ষ্মী ও কৃষ্ণমূর্তিকে গ্রেপ্তার করে (Murder)। তাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে ৩০ জুন থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত ২০১টি বার্তা উদ্ধার হয়, যা প্রমাণ করে খুনটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ৯ জুলাই ডুবুরিরা ভদ্রা নদী থেকে ইমতিয়াজের দেহ উদ্ধার করে। তার দেহে পাওয়া আঘাতগুলো মিলে যায় জব্দকৃত অস্ত্রের সঙ্গে।

অবশেষে এ বছর আগস্ট মাসে আদালত রায় ঘোষণা করে। লক্ষ্মী ও কৃষ্ণমূর্তিকে মৃত্যুদণ্ড এবং শিবরাজুকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইমতিয়াজের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

রায় ঘোষণার সময় বিচারক ইন্দিরা মাইলস্বামী চেট্টিয়ার মন্তব্য করেন— “শিক্ষকরা হলেন সমাজের আলোকবর্তিকা। কিন্তু অভিযুক্ত ১ (লক্ষ্মী) স্বামীর নৃশংস হত্যার মাধ্যমে শিক্ষকতার পবিত্র পেশার মর্যাদা কলঙ্কিত করেছেন। তিনি শিক্ষিত ছিলেন, স্বামীকে না চাইলে আইনের মাধ্যমে ডিভোর্স নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি খুনের পথ বেছে নিয়েছেন, যা ক্ষমার অযোগ্য।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts