এসআইআর মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল Supreme Court। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, আধার কার্ডের পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডও প্রমাণপত্র হিসেবে গ্রহণ করা যাবে। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, চৌদ্দই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমা পড়া নথিই গ্রহণযোগ্য হবে এবং সেই সব নথি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রিসাইডিং অফিসারের হাতে পৌঁছে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের (Supreme Court)।
এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে (Supreme Court)। বয়স ও অভিভাবকত্বের প্রমাণ হিসেবে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য হবে বলেও আদালত উল্লেখ করে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, নির্ধারিত কাট অফ তারিখের পর জমা দেওয়া নথি বিবেচনা করা হবে না।
মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে স্বতন্ত্র নথি হিসেবে মানতে আপত্তি জানান নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু (Supreme Court)। সেই প্রসঙ্গে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রে জন্মতারিখ বা পিতার নাম অনেক সময় উল্লেখ থাকে না, তাই অ্যাডমিট কার্ড সহায়ক নথি হিসেবে প্রয়োজনীয়। তিনি আরও বলেন, বাংলার বিচারব্যবস্থা অ্যাডমিট কার্ডে থাকা তথ্য সম্পর্কে অবগত বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাল্টা যুক্তিতে কমিশনের আইনজীবী জানান, আধার কার্ডের মতো মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে একক নথি হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক নয়। এর উত্তরে বিচারপতি বাগচি স্পষ্ট করেন, অ্যাডমিট কার্ড একক প্রমাণ নয়, বরং অন্যান্য নথিকে সম্পূরক হিসেবে কাজ করবে। শুনানিতে আইনজীবী গোপাল সুব্রমণ্যম বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কিন্তু উত্তীর্ণ না হওয়া ছাত্রছাত্রীদের কাছেও অ্যাডমিট কার্ড থাকে। বিচারপতি বাগচি জানান, এই বিষয়টি নির্ধারিত কাট অফ শর্ত পূরণ না করলে প্রযোজ্য হবে না (Supreme Court)।
পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করে নথি জমা নেওয়া হবে। এর আগে রাজ্যের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, কেন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বয়সের প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। বিহারের এসআইআর প্রক্রিয়ায় আধার কার্ড ব্যবহারের উদাহরণও তুলে ধরা হয়। এই বিষয়ে সমর্থন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন।












