ভোটের আগে ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হল। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানির সময় একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ফর্ম জমা পড়ার বিষয়টি সামনে আসে। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন।
তিনি জানান, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর এখন বিবেচনাধীন নামগুলির নিষ্পত্তি চলছে। এই সময়েই হঠাৎ করে বড় সংখ্যায় ফর্ম জমা পড়ছে। কেন এই সময়ে এমন হচ্ছে, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। যদিও তিনি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে দোষারোপ করেননি (Supreme Court)।
এই বক্তব্যের জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা উচিত নয়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিয়ম অনুযায়ী মনোনয়নের শেষ দিন পর্যন্ত ফর্ম জমা দেওয়া যায় (Supreme Court)। এমনকি যে দিন কেউ আঠারো বছরে পা দেয়, সেদিনও আবেদন করতে পারে। তাই কারও অধিকার আটকানো যায় না।
তবে আদালতে উপস্থিত অন্য আইনজীবীরা বলেন, এখানে একসঙ্গে হাজার হাজার ফর্ম জমা পড়ছে, যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে। এমনও দাবি করা হয়, একজন ব্যক্তি হাজারের বেশি ফর্ম জমা দিয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি জানান, অভিযোগ তোলা যেতে পারে, তবে এমন ঘটনা আগে হয়েছে বলেও নজির রয়েছে। অন্যদিকে, আবেদনকারীদের পরিচয় জানা না যাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে বলেও জানানো হয় (Supreme Court)। এর প্রেক্ষিতে বুথভিত্তিকভাবে আবেদনকারীদের তালিকা প্রকাশের দাবি ওঠে, যাতে প্রয়োজন হলে অভিযোগ জানানো যায়।
আদালত জানায়, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যারা আবেদন করবেন, তাঁদের নাম বিবেচনায় রাখা হবে। পরে জমা পড়া নাম তালিকায় উঠতে পারে, কিন্তু তারা ভোটাধিকার পাবেন না।
এদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বহু ক্ষেত্রে নাম যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি অনেক নাম বাদও যাচ্ছে, যা অস্বাভাবিক হারে ঘটছে বলে তাঁদের মতে।
এই পুরো ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। আগের দিন নির্বাচন দফতরের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। ফর্ম জমা নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে দুই পক্ষ। এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













